বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
সড়কের দুই পাশে সারি সারি কালেমার পতাকা, প্রশাসনের নজরদারি ফেনীতে অটোরিকশা-পিকআপ সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ নিহত ৩ লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত- ৩ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা গাইবান্ধায় মসজিদের মক্তবে ৭ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টা মুক্তাগাছায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে লজিং শিক্ষক গ্রেপ্তার উপজেলা পরিষদে জমা দেওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর লাখ টাকা উধাও পূর্বশত্রুতার জেরে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা গাইবান্ধায় হানিট্র্যাপ চক্রের আস্তানায় অভিযান, নারীসহ গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত
লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত- ৩

লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত- ৩

খাজা রাশেদ, লালমনিরহাট।। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই এলাকায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে, চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় আব্দুল জলিল (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

‎শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ধওলাই গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
‎নিহত আব্দুল জলিল ওই এলাকার আলকেস আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।



‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধওলাই এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে, সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুল জলিলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। জলিল মূলত জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসার পর এই বিরোধ পুনরুজ্জীবিত হয়। জমিজমা নিয়ে চাচা আব্দুর রাজ্জাক, আশরাফ আলী এবং চাচাতো ভাই সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর নতুন করে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

‎এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে চাচা আব্দুর রাজ্জাক ও চাচাতো ভাই সাদ্দামসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে আব্দুল জলিলসহ জলিলের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। তাদের এলোপাতাড়ি পিটুনিতে জলিল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় জলিলের মা, ভাইসহ আহত হন আরো তিনজন।



‎পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জলিলকে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্যবস্থা করে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।


‎হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওসি জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক। তবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com