বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু নকলের সুযোগ’ না পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১০ মৌলভীবাজার জেলা কারাগারে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ লালমনিরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চগড়ে একই দিনে দুইজন সাপের কামড়ে আহত, সাপ সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে পেলেন এন্টিভেনাম লালমনিরহাটে ছাগল বাঁচাতে গিয়ে গৃহবধূর মৃ’ত্যু পঞ্চগড়ে একদিনের ব্যবধানে আবারও করতোয়ায় ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু সৌহার্দ্য,পরিচিতি আর নতুন প্রত্যয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিষেক সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানিতে ভেসে আসলো অজ্ঞাত বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ পঞ্চগড়ে জেলা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও উপকরণ বিতরণ
প্রাথমিকের সঙ্গে বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরাও প্রশিক্ষণের আওতায় আসছেন

প্রাথমিকের সঙ্গে বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরাও প্রশিক্ষণের আওতায় আসছেন

স্টাফ রিপোর্টার: প্রাথমিকে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক থাকবেন না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট— প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে শূন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষক থাকবেন না। প্রাথমিকের সঙ্গে বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরাও প্রশিক্ষণের আওতায় আসবেন বলেও জানান তিনি।

আজ সোমবার (২২ জুন) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) মাল্টিপারপাস হলে আইইউবি এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কী ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেটাও আমরা নির্ধারণ করব। এ কাজ আমরা একা করছি না। সরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি বেসরকারি বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও কিন্ডারগার্টেন প্রতিনিধিদের নিয়ে একাধিক পরামর্শক প্যানেল গঠন করা হয়েছে। যাতে সবার মতামত নিয়ে এমন একটি ব্যবস্থা করা যায়, যা বাস্তবায়নযোগ্য এবং কার্যকর হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০২৮ সালের কারিকুলাম বাস্তবায়নের সময় আমাদের লক্ষ্য থাকবে—কোনো অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক যেন প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে না থাকেন। শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নয়, বেসরকারি বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কিন্ডারগার্টেন—সব ক্ষেত্রেই আমরা এ নীতি প্রয়োগ করতে চাই। কারণ বর্তমানে লাখ লাখ শিক্ষক আছেন, যাদের অনেকেই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পাননি।

তিনি বলেন,আমাদের প্রচলিত ১০ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে সাত লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তাই বিভিন্ন স্তরে কীভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, তা নিয়ে ন্যাপ ইতোমধ্যে কাজ করছে। তারা কিছু প্রাথমিক প্রতিবেদনও দিয়েছে। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করছি।

প্যারেন্ট এডুকেশনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক সময় আমরা শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গ্রামীণ অভিভাবকদের নিয়ে মন্তব্য করি। বলি, তারা সন্তানের শিক্ষার প্রতি যথেষ্ট মনোযোগী নন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপনের দায়িত্ব আমাদের। আমাদের শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা চেষ্টা করেন, কিন্তু আমরা তাদের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও কৌশল সবসময় দিতে পারিনি। এ বিষয়ে ন্যাপের মহাপরিচালক একটি ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি অভিভাবক শিক্ষার জন্য ভিডিওভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির কাজ শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, ছোট ছোট আকর্ষণীয় ভিডিওর মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে শিক্ষা-সংক্রান্ত বার্তা পৌঁছানো হোক। মানুষ যেভাবে ইউটিউবের ছোট ভিডিও দেখে আনন্দ পায়, সেভাবেই শিক্ষাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com