বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
নীলফামারীতে ইউএনও’র আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে আ.লীগ নেতা কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে খেলার মাঠের দাবিতে সোচ্চার শিক্ষার্থীরা, আন্দোলনের ডাক কুড়িগ্রামে ছেলের হাতে মা খু/ন ঘাতক পূত্র আটক বকশীগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত তিন মন্দিরে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার প্লাস্টিকের বোতল দিলেই গাছের চারা দিচ্ছে ছাত্রদল রংপুরে পৌরসভার নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২ রাজশাহীতে জমি কিনে বিপাকে মালিকপক্ষ : চাঁদাবাজি, অপহরণ ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ লালমনিরহাটে মাইন্ড ম্যারাথনে শিবরাম স্কুলের দাপট, বিজয়ী ১০ শিক্ষার্থী চোরাই বলে শিক্ষার্থীর আইফোন নিয়ে গেলেন এসআই, ঘুষও নিলেন ১৭ হাজার
মারামারি আর ফাউলে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

মারামারি আর ফাউলে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক: মাঠজুড়ে ছিল উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি, কঠোর ট্যাকল আর একের পর এক ফাউল। আক্রমণাত্মক ফুটবলের চেয়ে যেন শারীরিক লড়াইটাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে। প্রথমার্ধেই দুই দল মিলে করে ১৯টি ফাউল। একাধিকবার দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। সেই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের শেষ হাসি অবশ্য হেসেছে আর্জেন্টিনা। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

আটলান্টার ম্যাচে প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দুই দলই একে অপরকে আটকে রাখতে ব্যস্ত ছিল। ফলে আক্রমণের ধার খুব একটা দেখা যায়নি। লিওনেল মেসি কিংবা হ্যারি কেইন—কেউই প্রথম ৪৫ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেননি। তবে ফাউলের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধেই আর্জেন্টিনা করে ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল। রেফারি মাত্র দুটি হলুদ কার্ড দেখান।

বিরতি থেকে ফিরেই ম্যাচের চেহারা বদলে দেয় ইংল্যান্ড। ৫৫ মিনিটে ডান দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রসে ব্যাকপোস্টে বল পেয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন। তাতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নিকোলাস গঞ্জালেজ। নেমেই একের পর এক আক্রমণে ইংলিশ রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেন তিনি। ৬৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে তার হেড দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।

৭২ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঠে নামেন রদ্রিগো দে পল, গনসালো মন্তিয়েল ও নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর ম্যাচে গতি আরও বাড়ে। ৭৬ মিনিটে দে পলের ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলবারে লেগে ফিরে আসে।

ক্রমাগত আক্রমণের ফল পায় আর্জেন্টিনা ৮৫ মিনিটে। কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ।

সমতায় ফিরেই থামেনি আলবিসেলেস্তেরা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করে ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে দেন। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে নকআউট পর্বেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ড—প্রতিটি ম্যাচেই লড়াই করে জিততে হয়েছে। সেমিফাইনালেও পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে আরেকটি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল তারা।

অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে না পারা ইংল্যান্ডের শিরোপা অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। আর আর্জেন্টিনা টানা লড়াইয়ের পর জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের মহারণে। যেখানে আর মাত্র এক ধাপ দূরে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মুকুট।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com