বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে আরও একটি ট্র্যাজেডি, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস লালমনিরহাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি গ্রেফতার কমলনগরে হাম প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ‘ইন্টেন্সিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ’ টিকাদান কার্যক্রম
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার :: পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের বরাবরে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এ আবেদন করেও মিলছেনা জেলার উন্নয়ন ও রাজস্ব আয়ের তথ্য।এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

তথ্য অনুযায়ী, জেলা প্রাশাসকের কার্যালয় থেকে বিভিন্ন জলমহাল, নদীর পাথর বালু ইজারা দিয়ে রাজস্ব আয়ের তথ্য ও রাজস্ব আয় থেকে কি কি উন্নয়নমুলক কাজ করা হয়েছে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬,নির্বাচন পরিচালনায় কোন কোন খাতে কি বরাদ্দ ছিল, তার ব্যয় বিবরণ, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এ আবেদন করেন স্থানীয় সংবাদকর্মী মো.সম্রাট হোসাইন ও নাজমুস সাকিব মুন। মো.সম্রাট হোসাইনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ আলী, গত ১০ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত তথ্য দিতে অপারগতার একটি চিঠি প্রদান করেন।সেখানে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর ২ (চ) ধারায় তথ্য দেওয়া যাবেনা উল্লেখ করেন। এর আগে নাজমুস সাকিব মুনকে একই ধারায় তথ্য দিতে অপারগতার চিঠি দেন জেলা প্রশাসন।

জানা যায়, বাংলাদেশের সংবিধানের, ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়নে প্রণীত “তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ -এ স্পষ্টভাবে বলা আছে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার রয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
প্রতিটি দপ্তরে একজন “নির্ধারিত কর্মকর্তা থাকতে হবে, যিনি তথ্য সরবরাহে বাধ্য। অযৌক্তিকভাবে তথ্য না দিলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরিমানার বিধান রয়েছে। এছাড়া সরকারি ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বপ্রণোদিতভাবে প্রকাশের বাধ্যবাধকতাও আইনে উল্লেখ আছে।

সময়ের কন্ঠস্বর পঞ্চগড় প্রতিনিধি নাজমুস সাকিব মুন বলেন, তথ্য অধিকার আইনের আবেদন ফরমে আবেদন করি কিন্তু আমাকে কোন তথ্য দেয়নি জেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে আইনজীবী মো.রাহিদুল ইসলাম বলেন,
তথ্য না দিয়ে দায় এড়ানো সংস্কৃতি, শুধু প্রশাসনিক দুর্বলতা নয় এটি আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, অবিলম্বে সব দপ্তরের তথ্য, হালনাগাদ প্রকাশ এবং তথ্য গোপনে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। তথ্য জনগণের অধিকার এটি কোনো অনুগ্রহ নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com