বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
গাইবান্ধায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে মে দিবস আসে, মে দিবস যায়— শ্রমিকের ভাগ্য বদলায় না কেন? মহান মে দিবস আজ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন ৯৬ খাতে ন্যূনতম মজুরি নেই, উন্নয়নের আড়ালে শ্রমিকের বঞ্চনা বেশি জুম করবেন না, পাপারাজ্জিদের কারিশমা কাপুর তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার তেল জব্দ-ইউএনও’র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা অভিযোগে জর্জরিত অধ্যক্ষের বদলি, লালমনিরহাট টিটিসিতে স্বস্তির আভাস ‎একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বাড়িছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেম করে বিয়ে, বাবার বাড়িতে গিয়ে শিকলবন্দী কিশোরী কলেজে হাঁটুপানি, এবার পা তুলে দিলেন অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা
গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলা কারাগারে আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না (৬৮) নামের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কারাগারের জেলার মো. আতিকুর রহমান।

আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি গাইবান্ধা শহরের মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা এবং হোসেনপুর গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে।

কারাগারের জেলার মো. আতিকুর রহমান জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানার মামলায় চলতি মাসের ২ তারিখে মুন্নাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। রবিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন পেশার, ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তবে কারাগারে তার চিকিৎসায় কোনো অবহেলা ছিল না বলেও দাবি করেন জেলার।

অন্যদিকে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অসুস্থ অবস্থায়ও তাকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং কারাগারে নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

নিহতের ছেলে সৌমিক জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবুও রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেলগেট থেকে আরেক মামলায় পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। তার ভাষায়, “বাবার মৃত্যু একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।”

এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুন্নার মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com