বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে মাদক ও চাঁদাবাজি চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে ১০ দিনের নবজাতক বাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার,এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা; ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি চোরকে চিনে ফেলায় র‌্যাব সদস্যের স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বর্ণালঙ্কার লুট প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ আনাস পঞ্চগড়ে জনবল কাঠামো নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করে এমপিও’র দাবিতে মানববন্ধন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে এদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না: ড. মাসুদ ৩৫ ফুটের গর্তে পড়া ২ বছরের শিশুটি ১০ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি
‘টেস্ট ক্রিকেট কিছু দেশকে দেউলিয়া করে দিতে পারে’

‘টেস্ট ক্রিকেট কিছু দেশকে দেউলিয়া করে দিতে পারে’

অনলাইন ডেস্ক: ক্রিকেটাঙ্গনে গেল কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় দ্বি-স্তরের টেস্ট কাঠামো। যে পরিকল্পনার মূলে রয়েছে বেশি বেশি টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করা। যেসব দেশ লাল বলের ক্রিকেট কম খেলে, তাদেরকেও একটি নিয়মের আওতায় নিয়ে আসা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নতুন এই কাঠামোর চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপও গঠন করেছে।

তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ সতর্ক করেছেন, এই টেস্ট ক্যালেন্ডার কিছু দেশের জন্য দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বেশি ম্যাচ না খেলে বরং মান সম্পন্ন টেস্ট খেলাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গ্রিনবার্গ বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে স্বল্পতা আমাদের বন্ধু, শত্রু নয়। আমি মনে করি না যে, বিশ্বের প্রতিটি দেশকে টেস্ট ক্রিকেট খেলার লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। আর সেটি না হলেও সমস্যা নেই। আমরা আসলে দেশগুলোকে দেউলিয়া করার চেষ্টা করছি, যদি জোর করে তাদের টেস্ট খেলতে বাধ্য করি।’

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজের মতো বড় সিরিজে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান গ্রিনবার্গ। সাম্প্রতিক ইংল্যান্ড-ভারত পাঁচ ম্যাচের সিরিজকে টেস্ট ক্রিকেটের সেরা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

একই সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি টেস্টেই অন্তত ১৩৩ রানের ব্যবধানে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজে সিরিজ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। একটি টেস্ট কিউইরা ইনিংস ও ৩৫৯ রানের ব্যবধানে জিতেছে। অর্থাৎ এই সিরিজ দুটিতে প্রতিযোগিতায় হয়নি বললেই চলে।

গ্রিনবার্গ বলেন, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, টেস্ট ক্রিকেটে সেই জায়গায় বিনিয়োগ করবো, যেখানে এর মানে আছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। এজন্যই অ্যাশেজ এত বড় ও লাভজনক। কারণ এর অর্থ (গুরুত্ব-তাৎপর্য) রয়েছে।’

গেল কয়েক বছর ধরেই টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক ক্রিকেটবোদ্ধা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এই শঙ্কা-উদ্বেগ তৈরির কারণ ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোর উত্থান।

বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ও ‘দ্য হান্ড্রেড’ ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের জন্য বিপুল অঙ্কের চুক্তি দিচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সূচিতে আরও ভিড় বাড়াচ্ছে। যে কারণে ক্রিকেটাররা অর্থের দিকে ঝুঁকে টেস্ট ক্রিকেটের দিকে গুরুত্ব কম দিচ্ছেন। ফলে লাল বলের সিরিজ আয়োজন কমেছে।

আগামী দিনগুলোতে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ও টেস্ট ক্রিকেটের ভারসাম্য আনতে কী সিদ্ধান্ত নেন ক্রিকেটচিন্তকরা, সেটিই এখন দেখার।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com