বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে সুমন হত্যার প্রতিবা’দে ফুঁস’ছে এলাকাবাসী, খু’নিদের ফাঁ’সির দাবিতে মানববন্ধন ‎ পঞ্চগড়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্য আটক, দেশীয় অস্ত্র ও মাইক্রোবাস জব্দ থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র পাম্পে পাম্পে হাহাকার, তেলের জন্য দিতে হচ্ছে অগ্নিপরীক্ষা হামের চতুর্মুখী প্রাদুর্ভাব, দায়ী স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা সারা দেশে চাঁদাবাজ গডফাদার ৬৫০, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা; জনমনে ক্ষোভ যুদ্ধের প্রভাব: প্রবৃদ্ধি কমছে, মূল্যস্ফীতিতে চাপে বাংলাদেশ গাইবান্ধায় পরিবার রাজি না হওয়ায় বিষপানে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক হাসপাতালে পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও রায় অমান্যের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন চরফ্যাশনে সিঁড়ির রেলিংয়ে আটকে পড়া শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস
১৬ বছর পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ

১৬ বছর পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ

ছবি সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: ১৬ বছর পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল)। এদিন সকাল ১০টা থেকে দেশের ৬১ জেলার (পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা বাদ) সব কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সূচি অনুযায়ী, ১৫-১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত, ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে পার্বত্য তিন জেলায় (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) বৈসাবি উৎসবের কারণে পরীক্ষা দুই দিন পিছিয়ে শুরু হবে। ওই জেলাগুলোতে ১৭ এপ্রিল গণিত, ১৮ এপ্রিল সাধারণ বিজ্ঞান ও সমাজ, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং ২০ এপ্রিল ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় একই থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০২৫ সালে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তবে ঠিক কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, তা জানায়নি অধিদপ্তর।

এদিকে, পরীক্ষা সামনে রেখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। নীতিমালায় পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষার হলে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের ১০টি জরুরি নির্দেশনা:

১. প্রবেশপত্র : প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না। নির্ধারিত সময়ের আগেই হলে উপস্থিত হতে হবে।

২. নিষিদ্ধ বস্তু : ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না।

৩. উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠা (ওএমআর) : উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না।

৪. শিক্ষকের স্বাক্ষর : উত্তরপত্রে অবশ্যই দায়িত্বরত শিক্ষকের (ইনভিজিলেটর) স্বাক্ষর থাকতে হবে, অন্যথায় খাতা বাতিল হবে।

৫. পরিচয় গোপন রাখা : উত্তরপত্রের ভেতরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৬. খসড়া কাজ : আলাদা কোনো কাগজ দেওয়া হবে না। উত্তরপত্রেই খসড়া করে পরে তা কেটে দিতে হবে।

৭. অন্যত্র লেখা নিষিদ্ধ : টেবিল, স্কেল বা শরীরের কোথাও কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৮. হল ত্যাগ : প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর অন্তত ১ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কেউ হলের বাইরে যেতে পারবে না।

৯. খাতা জমা : পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত শিক্ষকের কাছে খাতা বুঝিয়ে দিয়ে তবেই হল ছাড়তে হবে।

১০. কর্তৃপক্ষের নিয়ম : এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালে আচরণ নির্দেশিকা:
পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা যাবে না।
প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না।
প্রশ্নপত্র ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা যাবে না বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না।
উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে উত্তরপত্রসহ পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না।
উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন ও বিনষ্ট করা যাবে না।
প্রাথমিক বৃত্তি নীতিমালা অনুযায়ী- ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

মেধাতালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। এ ছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

সবশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা হয়েছিল। এরপর ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) শুরু করে সরকার। এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো। ফলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ১৬ বছর বন্ধ ছিল।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com