বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে ১২ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক কারাগারে এবার মোদি সরকারের পতনের ডাক স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক, মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হাতুড়িপেটা ছাত্রদল-যুবদল নেতাদের রংপুরে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার ৪০০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বিদ্যালয়ের বারান্দায় জাতীয় পতাকা ফেলে রাখার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলস সেলিম রেজা, নিরাপত্তায় স্বস্তি কঞ্চিবাড়িবাসীর শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেও বাকি ২ দাবিতে অনড় সিজেপি নেতা অভিজিৎ টানা আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী
সনদ-এনআইডিতে গরমিল, সুন্দরগঞ্জে সহ-সুপারের নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ

সনদ-এনআইডিতে গরমিল, সুন্দরগঞ্জে সহ-সুপারের নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ

জাভেদ হোসেন, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপারের শিক্ষাগত সনদপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্রে একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপারের বিভিন্ন নথিতে নাম ও পারিবারিক পরিচয়ে মিল নেই।

তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, তার দাখিল ও আলিম সনদে নাম রয়েছে “Md Golger Hossain” এবং পিতার নাম “Md Shamsul Haque”। তবে ফাজিল ও কামিল সনদে নাম লেখা হয়েছে “Md Golger Hosen”, যা আগের সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


অন্যদিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) তার নাম পাওয়া যায় “Md Golzar Hossain”, যা শিক্ষাগত সনদের নামের সঙ্গে অমিল তৈরি করেছে। একইভাবে এমপিও শিটেও নাম উল্লেখ করা হয়েছে “Md Golger Hosen”, ফলে নথিগুলোর মধ্যে একাধিক অসঙ্গতি স্পষ্ট হয়েছে।

শুধু নাম নয়, মায়ের নামের ক্ষেত্রেও ভিন্নতা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রে মায়ের নামের আগে “মোছাঃ” উপাধি থাকলেও শিক্ষাগত সনদে তা উল্লেখ নেই।

এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নথিতে অসঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে—তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের নিয়োগ শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।

এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ইব্রাহিম আলী সরকার বলেন, “অভিযোগটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করছি। অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, “কোনো শিক্ষকের সনদপত্র বা পরিচয়পত্রে অসঙ্গতি থাকলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com