বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে ভেসে আসা জাহাজ নিয়ে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মামলা, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ‎ ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসতেই উধাও ২০ কার্টন খেজুর লালমনিরহাটে বিয়ের অঙ্গীকার করে অস্বীকা : সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী বিবিসি বাংলাকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মাহদীর লিগ্যাল নোটিস জামায়াত নেতার ড্রয়িংরুমে মিলল মিনি পেট্রোল পাম্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হাদির সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয় চরফ্যাশনে ২৮৮ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড,‎ দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি প্রাথমিক বৃত্তিতে ৮০–২০% কোটা: মেধার স্বীকৃতি নাকি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বৈষম্যের সূচনা? ‎কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ: পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন
‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’: নামকরণ দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’: নামকরণ দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: তিস্তার উত্তাল ঢেউয়ের বুকে দাঁড়িয়ে এক মানুষ আজও ইতিহাস হয়ে আছেন তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বপ্নবান শিক্ষক শরিতুল্যাহ মাস্টার। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ও কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মধ্যে নির্মিত তিস্তা সেতুর নাম তার নামেই রাখতে চান তিস্তা পাড়ের মানুষ। এই দাবিকে ঘিরেই রবিবার (২০ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস চত্বরে আয়োজিত হয় এক আবেগঘন মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি।

“শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু নামকরণ বাস্তবায়ন কমিটি” আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিককর্মী, ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বক্তারা বলেন, এই সেতু নির্মাণের পেছনে যিনি একা, একনিষ্ঠভাবে ৩০ বছর ধরে স্বপ্ন দেখেছেন, আন্দোলন করেছেন, জনমত গড়েছেন তিনি শরিতুল্যাহ মাস্টার। ১৯৯৫ সালে যখন কেউ কল্পনাও করেনি এই অঞ্চলে একটি সেতু হবে, তখন থেকেই তিনি সেতু নির্মাণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। অনেকেই উপহাস করেছেন, কিন্তু তিনি পিছপা হননি। তার একাগ্রতা, সাহস ও দেশপ্রেমই আজ এই সেতুকে বাস্তব রূপ দিয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, “এটি কেবল একটি সেতু নয়, এটি শরিতুল্যাহ মাস্টারের অমর স্বপ্ন, তার আত্মত্যাগের স্থায়ী প্রতিচ্ছবি। তাই এই সেতুর নাম ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ রাখাই হবে তার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা ও ইতিহাস রক্ষার উপায়।”

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কমিটির আহ্বায়ক শামীম মন্ডল, সদস্য সচিব শাহীন মিয়া, শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জিল্লু হাকিম, হালিম মিয়া, ডা. ফুয়াদ ইসলাম, শিক্ষার্থী রত্মা প্রমুখ।

পরে একটি প্রতিনিধি দল গাইবান্ধার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

প্রসঙ্গত, এলজিইডি বাস্তবায়নাধীন দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি হলো এই হরিপুর-চিলমারী দ্বিতীয় তিস্তা সেতু। চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন লিমিটেড সেতুটি নির্মাণ করেছে। ১ হাজার ৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। এটি চালু হলে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকার দূরত্ব কমে যাবে ১৩৫ কিলোমিটার, সময় সাশ্রয় হবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

সেতুটি শুধু দুই জেলার মানুষের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং পুরো উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে। আগামী ২ আগস্ট সেতুটি উদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com