বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে ১১ নারী পকেটমার আটক, আছেন ষাটোর্ধ্ব ২ জনও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে এমপির গাড়ি ভাঙচুর পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে ধরা, পদ হারালেন জামায়াত নেতা ঠাকুরগাঁওয়ে বুকসমান পানি পেরিয়ে মায়ের মরদেহ কবরস্থানে নিলেন সন্তানেরা শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধা মাকে ঘরছাড়া, সেই ইঞ্জিনিয়ার ছেলে কারাগারে এ আই দিয়ে এমপির ভুয়া ছবি প্রকাশ করায় রামগঞ্জে বিএনপি’র প্রতিবাদ সভা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর কিশোর বকুলের মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নিখোঁজ কিশোর, তীব্র স্রোত ও অন্ধকারে থামল উদ্ধার অভিযান
‘জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচনের সময় নির্ধারণ অর্থহীন’: জিল্লুর রহমান

‘জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচনের সময় নির্ধারণ অর্থহীন’: জিল্লুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐকমত্য না হলে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করে কোনো লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিক জিল্লুর রহমান। তিনি বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে লন্ডনে একটি সম্ভাব্য নির্বাচনী সময় নিয়ে হওয়া সমঝোতাকে আপাতদৃষ্টিতে ইতিবাচক মনে করলেও, এর বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, সংস্কার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো ঐকমত্য অনুপস্থিত, যা জনগণের বিভ্রান্তি আরও বাড়াবে।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জিল্লুর রহমান বলেন, ক্ষমতা দখলের আকাঙ্ক্ষা, নতুন দলগুলোর আত্মপ্রকাশ এবং ছোট দলগুলোর ‘কিং মেকার’ হওয়ার বাসনা—সব মিলিয়ে বর্তমান রাজনীতি অস্থির। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির সামনে একটিই পথ খোলা- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন থাকা।

সিসা কারখানায় অভিযান, ৬ জনের কারাদণ্ড
জিল্লুর রহমান আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমান যদি নেতৃত্বে আসেন, তাহলে তাকে হতে হবে জনগণের ঐক্যের প্রতীক, রাজনৈতিক শুদ্ধতার প্রতিশ্রুতি এবং একটি নতুন দিশার পথপ্রদর্শক। তার যুক্তি, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিপক্ষরা এই নেতৃত্ব কখনোই মেনে নেবে না এবং তাকে দুর্বল করতে নতুন ভোট ব্যবস্থা, অনুপ্রবেশমূলক রাজনৈতিক কৌশল এবং তথাকথিত জাতীয় ঐক্যের আড়ালে দমননীতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই বিশ্লেষক বিপ্লবীদের বিভক্ত অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, অনেকে দলীয় লেজুড়বৃত্তির শিকার, আবার কেউ ধান্দাবাজির প্রতিবাদ করে ছিটকে পড়েছেন। জিল্লুর রহমান উমামা ফাতেমার মতো কণ্ঠস্বরের উদাহরণ টেনে বলেন, যে প্ল্যাটফর্ম থেকে গণ-আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেটি এখন বিকৃত রাজনৈতিক স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেক ছাত্রনেতা অভিযোগ করছেন যে, তাদের প্রতিশ্রুত ভবিষ্যৎ এখন অন্যদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সিঁড়ি হয়ে উঠেছে।

তিনি শহীদ পরিবারের প্রতি সহায়তার অভাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। জিল্লুর রহমান বলেন, “এ বিপ্লবের বর্ষপূর্তি আমরা পালন করছি রাষ্ট্রীয় উৎসবের মতো। অনুষ্ঠান হচ্ছে, ব্যানার-ফেস্টুনে শহীদদের মুখ ছাপা হচ্ছে, স্মৃতিচারণ চলছে, কিন্তু শহীদ পরিবারের কোনো সুনির্দিষ্ট সহায়তা আমরা দেখতে পাই না।” গুম-খুনের বিচার না হওয়া এবং চেতনার ধারক ছাত্রদের দ্বিধাগ্রস্ততা নিয়েও তিনি আক্ষেপ করেন।

তবে, জিল্লুর রহমান আশাবাদী যে, “বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায় না। তারা আবারো জেগে উঠতে জানে। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com