বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ পঞ্চগড়ে সিজারিয়ান অপারেশনের আগে খোলা স্বর্ণের চেইন ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ, নার্সের দাবি ‘হারিয়ে গেছে’ লালমনিরহাটে রবিদাস সমিতির সভাপতি পদ কেন্দ্র করে, ধনেশ্বর রবিদাসকে প্রাণ নাশের হুমকি পঞ্চগড় সীমান্তে ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও জিরো লাইনে অবস্থান নারী শিশু সহ ১০ জনের সুন্দরগঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে শিশু ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অনেকেই সরকারি বনের জমিতে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গজারি বাগান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা লালমনিরহাটে ‎ ৩ পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ভারতীয় বিএসএফ’র নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশাল মিছিল, ব্যাপক উপস্থিতি দেখে সরে গেলো পুলিশ লালমনিরহাটে সাংবাদিক সবুজের কলম থামাতে প্রাণনাশের হুমকি
১১ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দুলু

১১ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দুলু

খাজা রাশেদ,লালমনিরহাট।। বিএনপি-জামাতের অবরোধ চলাকালে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শিমুলতলায় সড়কে খুঁটি পুঁতে পাকা রাস্তার কার্যকারিতা নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রায় ১১বছর পর খালাস পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুসহ ৪৫জন।

সোমবার (১২ মে) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদিব আলী মামলার সব আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। এরআগে গত ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি ওই ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন: লালমনিরহাটের শিবরাম স্কুলের বৃত্তি পরীক্ষায় চমকপ্রদ সাফল্য!

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিএনপির ডাকা অবরোধ চলাকালে ওইদিন সকাল থেকে রংপুর – কুড়িগ্রাম মহা সড়কে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের শিমুলতলা নামক মোড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা মহাসড়কে কুড়াল, সাবল, কোদাল ও খুন্তি ইত্যাদি ব্যবহার করে পাকা রাস্তায় খুঁটি পুঁতে এবং রাস্তা খোড়াখুড়ি করে ব্যারিকেট তৈরি করে।

এসময় রাস্তার পিচ উঠিয়ে পাকা রাস্তার দুই পাশের মাটি কাটায় রাস্তার কার্যকারিতা নষ্টসহ সরকারি সম্পদ নষ্টের অভিযোগ হয়। ওই অবরোধে নারী নেতাকর্মীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (৩) ধারায় মামলা করে। মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুসহ ৪৫জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৫০০/৫৫০ জনকে আসামি করা হয়।

খালাস পেয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দুলু বলেন, এটি একটি গায়েবী ও ভূয়া মামলা ছিলো। আমাদের যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ছিলো সেই আন্দোলনকে ব্যহত করার জন্য সরকার পরিকল্পিতভাবে এ সমস্ত মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আজকে আমরা কোর্ট থেকে ন্যয় বিচার পেয়েছি। কোনো ফ্যাসিবাদি সরকার মামলা দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। সেটার প্রমাণ হলো আজ।

মামলার সরকারি পিপি কেএম হুমায়ুন রেজা স্বপন জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় ওই মামলাটিকে হয়রানি মূলক দাবি করে সকল আসামিদের খালাস দেওয়ার জন্য আদালতে যুক্তি স্থাপন করা হয়। এতে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে সকল আসামীদেরকে খালাস প্রদান করেন।

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com