নিজস্ব প্রতিবেদক:: লালমনিরহাট পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ড তালুক খুটামারা নবনির্মিত পলিটেকনিক এলাকা সংলগ্ন মৃত মতিনের ছেলে মমিনের প্রথম বউ ফারজানাকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করে সারপুকুর ইউনিয়নের জিয়ারুল হকের মেয়ে জেমি আক্তারকে।জেমি আক্তারকে বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় আবারও প্রথম বউ মোছাঃ ফারজানা বেগমকে বিয়ে করে সংসার করছে বলে দাবি জেমি আক্তারের।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মনিনুল ইসলাম গত ২০-০৮-২০২৫ ইং তারিখে ফারজানা বেগমকে তালাক প্রদানের পর ২৫-০৯-২০২৫ ইং তারিখে মমিন রেজিস্ট্রি মূলে বিয়ে করায়,জেমি আক্তার মনিনের বাসায় সংসার করতে থাকে।এর মধ্যেই মমিন পুনরায় ১৯-১০-২০২৫ ইং তারিখে আবারও ফারজানা বেগমকে বিয়ে করে। আমার বাবার বাসা থেকে যৌতুক বাবদ দুই লক্ষ টাকা এনে দিলে সংসার করবে, না হলে সংসার করবে না বলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করিতে থাকে। এছাড়াও যৌতুকের টাকা না পেয়ে জেমি আক্তারকে অত্যাচার করে বলে জানা যায় এজহার থেকে।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়,২৯-১০-২০২৫ ইং তারিখে যৌতুক বাবদ টাকা আনতে বললেও টাকা নিয়ে আসায় রাজি না হওয়ায় মারধর করে গলা চিপে ধরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং জেমি আক্তারকে টাকা ছাড়া বাসায় ঢুকতে দিবে না। এক কাপড়ে বাসা থেকে বের করে দিবে বলে হুমকি প্রদান করে।পরবর্তীতে জেমি আক্তার নিজ পিত্রালয়ে চলে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করি।

জেমি আক্তার বলেন, চলমান সমস্যা নিয়ে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি,এছাড়াও পারিবারিক ভাবে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানায় জেমি আক্তার।
এ বিষয়ে বিবাদী মনিনের সাথে কথা হলে মমিন জানায়, যৌতুকের দুই লক্ষ টাকার জন্য নির্যাতন ও বাসা থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমাকে হয়রানির জন্য এই অভিযোগ করেছেন বলে দাবি মনিনের।
বাদী জেমি আক্তার বলেন,এই ঘটনায় লালমনিরহাট সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এবং পারিবারিক ভাবে বসে সমাধান করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানায় জেমি আক্তার।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরনবী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply