বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অ’ভিযান, পদ্মকলি সুইটসসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ পিআইও অফিস যেন অনিয়ম ও ঘুষের আখড়া জিপিএ-৫ পেলেই সফল হওয়া যায় না, আগে ভালো মানুষ হতে হবে’—প্রতিমন্ত্রী আজাদ সার ডিলারদের নিয়ে গুজব ছড়ানোর সুযোগ নেই: পঞ্চগড়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালিয়াকৈরের মৌচাকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি, ও মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর গণ সমাবেশ। ‘ফেল করিয়ে দেওয়ার’ হুমকির পর অকৃতকার্য, উত্তরপত্র পাল্টানোর অভিযোগ ঘুমধুম সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, উপজেলা বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, রাজশাহীর রাজপাড়া থানা বিএনপির কার্যক্রম স্থগিত আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনে যুবদল নেতৃবৃন্দের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
এবারের বিশ্বকাপে অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

এবারের বিশ্বকাপে অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

স্পোর্টস ডেস্ক :: এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে নানা কড়া নিয়মকানুন ও নজরদারি আনছে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) এবং বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থার (ওয়ান্ডা)। মাঠ ও মাঠের বাইরে ফুটবলারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু স্বাধীনতা থাকলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে কঠোর ‘নিয়মের বেড়াজাল’ টানা থাকে, যার বেশির ভাগই ফুটবলের মৌলিক নিয়ম হিসেবে সব সময় কার্যকর থাকে।

এবার মাঠের খেলার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের আচরণগত বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। গোল করার পর আনন্দে জার্সি খুললে কিংবা সময় নষ্ট করা ও দর্শকদের উসকানি দেওয়ার মতো অতি উদ্যাপন করলে বেফারি হলুদ কার্ড দেখাতে দ্বিধা করবেন না।

একইভাবে এবারের বিশ্বকাপে ফাউলের শিকার হওয়ার ভান করা, অভিনয় করা বা ডাইভ দিয়ে রেফারিকে বোকা বানাতে চাইলেও হলুদ কার্ড জুটবে। ম্যাচ চলাকালীন রেফারির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকলেও আক্রমণাত্মক আচরণ, ভয় দেখানো বা গালিগালাজ করলে হলুদ বা লাল কার্ড নিশ্চিত। নিয়ম অনুযায়ী, আলাদা দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে পরের ম্যাচে ওই খেলোয়াড়কে বাধ্য হয়ে দর্শকের সারিতে বসতে হবে। আর লাল কার্ড দেখলে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে হয়; এতে গড়িমসি করলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়ার ঝুঁকি থাকে।


এবার ফুটবল বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের পোশাক ও সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও সুনিদিষ্ট নিয়ম মানতে হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠে আংটি, গলার চেইন বা ব্রেসলেটের মতো গয়না পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে দলীয় চিকিৎসক ও রেফারির অনুমতিক্রমে ব্যান্ডেজ, ফেস মাস্ক বা গার্ডের মতো সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহার করা যায়। ভেতরের গেঞ্জি বা অন্য কোনো পোশাকে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত কোনো বার্তা প্রদর্শন করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবশ্য ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের সঙ্গে জার্সি বদলের মাধ্যমে সম্মান প্রদর্শনের ঐতিহ্যবাহী রীতিতে ফিফার পূর্ণ সম্মম্মতি রয়েছে। পাশাপাশি, কোনো খেলোয়াড় মাথায় আঘাত পেলে বা অচেতন হয়ে পড়লে রেফারি ও চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। ফিফার পূর্ব অনুমোদন সাপেক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে দলগুলো বর্ণবাদবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচিতে (যেমন হাঁটু গেড়ে বসা) অংশ নিতে পারে।

মাঠের বাইরে ডোপ টেস্ট ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নিয়মগুলোও বেশ কড়া। বিশ্বকাপজুড়ে যেকোনো সময়, ম্যাচ শেষে, অনুশীলনে বা টিম হোটেলেও আচমকা ডোপ টেস্টের ডাক আসতে পারে। ফিফা ও ওয়াডার নিয়ম অনুযায়ী, ডোপ টেস্টে অস্বীকৃতি জানানো বা নমুনায় কারচুপির চেষ্টা করলে ক্যারিয়ারে বড় নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের স্বাধীনতা থাকলেও আপত্তিকর, বর্ণবাদী বা রাজনৈতিক উসকানিমূলক পোস্ট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং অনেক দলই তাদের খেলোয়াড়দের অনলাইনের গতিবিধি নজরে রাখে। ফিফার অফিশিয়াল মিডিয়া সেশন বা সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক: পূর্ব অনুমতি ছাড়া এটি এড়িয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com