বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত ‘ডিবির হেফাজতে’ ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর আগে আটকের সময় কী ঘটেছিল, এমন ভিডিও ফেসবুকে মাদককারবারি বড় ভাইকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে গিয়ে আটক ছোট ভাই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেনের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন শাহবাগে ফ্ল্যাট থেকে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার চার নারীসহ ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার আটক রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত কালিয়াকৈরের মৌচাক ভান্নারা সড়কের উপর দোকান নির্মাণের অভিযোগ চট্টগ্রামে লরিচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষক দম্পতির মৃত্যু
শার্শায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে সহযোগিতা, প্রধান শিক্ষকসহ দুজন কারাগারে

শার্শায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে সহযোগিতা, প্রধান শিক্ষকসহ দুজন কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্ট :: যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষা অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও একই প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন।

শনিবার (৯ মে) সকালে শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন গ্রেপ্তহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত শেষে তাদের আটক করা হয়। পরে রাতে পাবলিক পরীক্ষা আইনে মামলা করা হয়।

তদন্ত সূত্র জানায়, শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। তার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার পর কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন গোপনে মেয়ের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের কিছু অংশে সংশোধন এনে তা আবার বোর্ডে জমা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও এক পর্যায়ে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে আটক করা হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। যেখানে একজন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা, সেখানে তার বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com