লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসানুর রশিদ মাকসুদের অনুপস্থিতি এবং তাকে ঘিরে সংবাদ প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি নিয়ে সচেতন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে অফিস সময়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় সরজমিনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে দেখা যায়, তার স্ত্রী অফিসে অবস্থান করছেন। তিনি জানান, তার স্বামী গত দুই দিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ না করায় তিনি দুপুরে তাকে খুঁজতে অফিসে এসেছেন।
আরো পড়ুন: লালমনিরহাট জেলা কালচারাল অফিসারের অপকর্ম! (পর্ব–১)
এবিষয়ে জেলা কালচারাল অফিসার হাসানুর রশিদ মাকসুদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

একাডেমির সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রনি পারভেজ বলেন, “শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকায় আজ রবিবার আমি ছুটির দরখাস্ত পাঠিয়েছি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।”
প্রাপ্ত আবেদনপত্র অনুযায়ী,জেলা শিল্প কলা একাডেমির সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে ১১ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি এবং কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। তবে জেলা প্রশাসক এইচ এম হায়দার বলেন, “আমি আবেদন পেয়েছি, তবে ছুটি অনুমোদিত হয়নি।”
পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সারাদেশের মতো লালমনিরহাটেও কর্মসূচি রয়েছে। এরকম সময়ে শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তার অনুপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত বিষয় ঘিরে অনলাইনে ভাইরাল হওয়া কিছু ছবি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে তার নিষ্ঠা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে সচেতন নাগরিকদের একাংশ।
প্রবা/আরইসআর
Leave a Reply