বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ পঞ্চগড়ে সিজারিয়ান অপারেশনের আগে খোলা স্বর্ণের চেইন ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ, নার্সের দাবি ‘হারিয়ে গেছে’ লালমনিরহাটে রবিদাস সমিতির সভাপতি পদ কেন্দ্র করে, ধনেশ্বর রবিদাসকে প্রাণ নাশের হুমকি পঞ্চগড় সীমান্তে ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও জিরো লাইনে অবস্থান নারী শিশু সহ ১০ জনের সুন্দরগঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে শিশু ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অনেকেই সরকারি বনের জমিতে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গজারি বাগান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা লালমনিরহাটে ‎ ৩ পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ভারতীয় বিএসএফ’র নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশাল মিছিল, ব্যাপক উপস্থিতি দেখে সরে গেলো পুলিশ লালমনিরহাটে সাংবাদিক সবুজের কলম থামাতে প্রাণনাশের হুমকি
লালমনিরহাটে দাম ভালো পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন, ধনিয়া পাতা চাষিরা ‎

লালমনিরহাটে দাম ভালো পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন, ধনিয়া পাতা চাষিরা ‎

‎খাজা রাশেদ,লালমনিরহাট:: লালমনিরহাটে অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় চলতি বছর ধনিয়া পাতার(ধনে পাতা) ফলনে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি করেছে। ফলন কম হলেও বাজারে অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য থাকার কারণে কৃষকরা আগের যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি লাভবান হচ্ছেন। বিপরীতে উচ্চ দামে ধনিয়া পাতা কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ ক্রেতাদের। গত বছর এসময় প্রতি কেজি ধনিয়া পাতা বিক্রি হয়েছিল ২০-২৫ টাকায়। এবছর সেই দাম লাফিয়ে পৌঁছেছে ১০০ থেকে ২০০ টাকায়। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি। বাজারে ধনিয়া পাতার চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।



‎কৃষকরা জানান, অসময়ের বৃষ্টিতে অনেক জমির ধনিয়া গাছ নষ্ট হয়েছে, আবার যেগুলো বেঁচে আছে সেগুলোর ফলনও কমেছে। গত বছর এক শতাংশ জমিতে তারা পেয়েছিলেন ৩০ থেকে ৪০ কেজি ধনিয়া পাতা। এবছর তা নেমে এসেছে ২০ থেকে ৩০ কেজিতে। প্রতি শতাংশ জমির উৎপাদন খরচ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।


‎জেলার আদিতমারী ভাদাই গ্রামের কৃষক রহমত ৫০ শতক জমিতে এ বছর ধনিয়া চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছর প্রতি শতাংশে পেয়েছিলাম ৪০ কেজি। এবছর পেয়েছি ২৫ কেজি। যদিও ফলন কম, কিন্তু বাজারদর বেশি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার বেশি লাভ হচ্ছে। গত বছর প্রতিকেজি ধনিয়া বিক্রি করেছেন ২৫ থেকে ৩০ টাকায় এবছর বিক্রি করছেন ৮০-১০০ টাকায়। কালীগঞ্জের কাকিনা এলাকার কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, এবছর ১০ শতাংশ জমিতে ধনিয়া চাষ করেছিলেন। এতে খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এরমধ্যে আধা শতাংশ জমির ধনিয়া সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। অবশিষ্ট জমি থেকে ধনিয়া পেয়েছেন ১৮ -২০ কেজি। তিন শতাংশ জমির ধনিয়া বিক্রি করেছি ৭০ কেজি, পেয়েছি প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা বলেন তিনি। অবশিষ্ট ধনিয়াও বিক্রি করছেন আশানুরূপ দামে।



‎লালমনিরহাটের গোশালা বাজারের সবজি বিক্রেতা রহমান মিয়া জানান আমরা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতিকেজি ধনিয়া কিনছি ৯০-৮০ টাকায়, বাজারে বিক্রি করছি ১২০-১৩০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে কেজি ছিল ২০০ টাকা পর্যন্ত। ধীরে ধীরে দাম কমছে। এক সপ্তাহ পর দাম ৪০-৫০ টাকায় নামার সম্ভাবনা আছে।


‎সবজি ক্রেতা স্কুল শিক্ষক গোলজার আজম জানান, বাজারে শুধু ধনিয়া পাতা নয় সকল ধরনের শাক-সবজির অধিক মূল্য। শুধু আলুর দাম কম। প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক ধনিয়া পাতা কিনছেন। শীতকালে ধনিয়া পাতার ব্যবহার বেড়ে যায়। ধনিয়া পাতা ছাড়া তরকারি রান্না হয়না শীত কালে। লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড.শাইখুল আরেফিন বলেন, এবছরে অসময়ের বৃষ্টির প্রভাবে সব ধরনের শাকসবজির উৎপাদনই কম। ধনিয়া পাতার চাহিদা বেশি হওয়ায় কৃষকরা এটির ভালো দাম পাচ্ছেন। আলু ছাড়া সব ধরনের সবজির দামই এখন তুলনামূলক বেশি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com