বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
প্রিজন ভ্যানে পলককে উদ্দেশ্য করে ডিম ছুঁড়লেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী পুঠিয়ায় তদন্তের তোয়াক্কা নেই, লুটের রাজত্ব কায়েম করে বহাল তবিয়তে অভিযুক্ত সুন্দরগঞ্জে রেণু বিদ্যাকাননে বই বিতরণ ও ক্লাস উদ্বোধন হাতীবান্ধায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ভবানীপুর কামিল মাদ্রাসার জয়কার,শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোকছেদ আলী হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশ পন্থী শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে সেনাবাহিনীর বাঁধা, আহত ২৩ এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশী শিশু নিহত জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে হাইকোর্টের রুল মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে: বিআরটিএ চেয়ারম্যান
ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা/শূন্য ইলিশে ঘাটে ফিরেছেন চরফ্যাশনের জেলেরা

ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা/শূন্য ইলিশে ঘাটে ফিরেছেন চরফ্যাশনের জেলেরা

হাসান লিটন,‎চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি::‎ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ এবং উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য সরকার ভোলার চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীসহ গভীর সাগরে ২২ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা, সংরক্ষণ, পরিবহন এবং বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।

‎শুক্রবার (৩ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

‎‎চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই সময়ে নদী ও সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় কোনোভাবেই মাছ আহরণ, সংরক্ষণ, ক্রয়-বিক্রয় বা মজুত করা যাবে না। জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং, পোস্টারিং ও প্রচারণা চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের টাস্কফোর্স কমিটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্য ঘাট, নতুন সুলিজ, মাইনউদ্দির ঘাট, ৫ কপাট, ঢালচর, নুরাবাদ, বকসিসহ বিভিন্ন মৎস্য ঘাটের শতশত ফিশিংবোট, ট্রলার, নৌকা এবং মাছ শিকারের সরঞ্জাম নিয়ে জেলেরা নদী ও সাগর থেকে ঘাটে ফিরে এসেছে।

‎সামরাজ মৎস্য ঘাটের জেলে বাবুল বলেন, আমরা প্রতিদিন নদীতে মাছ ধরে সংসার চালাই। এখন টানা ২২ দিন নদী বা সাগরে নামা যাবে না। পরিবার নিয়ে দিন চালানো কঠিন। তবে সরকার যদি খাদ্য সহায়তা দেয়, কিছুটা স্বস্তি পাব।

‎মাঝি জামাল উদ্দিন যোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা মেনে সাগর থেকে কূলে এসেছি। সাগরও মাছ নাই। শূন্য হাতে এসেছি। কিন্তু মা ইলিশ বাঁচানো ছাড়া কোনো উপায় নেই। ইলিশ কমে গেলে ভবিষ্যতে নদীতে মাছ থাকবে না। তাই কষ্ট হলেও আমরা আইন মেনে চলব। তবে সরকারের সহায়তা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন।


‎বেতুয়া নতুন সুইজ মাছঘাটের আড়ৎদার মোস্তফা বলেন,নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শুধু জেলেরা নয়, আড়ৎদার, শ্রমিক, বরফকল মালিক সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। বাজার পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে পরবে।

‎সামরাজ মৎস্য ঘাটের সভাপতি তারেক আজিজ বলেন, জেলেদের সহায়তা দেওয়া হলেও আড়ৎদার ও পরিবহন শ্রমিকদেরও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ মাছ ধরা বন্ধ মানেই পুরো ব্যবসা চেইন থেমে যাওয়া।

‎চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান,নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে প্রতিদিন নদী ও সাগরে অভিযান চালানো হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া মৎস্য আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত প্রতিজন জেলেকে সরকারিভাবে ২৫ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পান।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com