বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্সকে’ আলাদা করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি হাসনাতের ৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে, থানায় মামলা বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাকে কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ তিন মাস পর বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু অফিস কক্ষে প্রাথমিকের দুই শিক্ষকের হাতাহাতি জামায়াত নেতাদের দাওয়াত দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের আলোচনাসভা বর্জন ওসমান হাদিকে গুলি: মোটরসাইকেলের মালিক ৩ দিনের রিমান্ডে জামায়াতের নির্বাচনি সভায় ইউনিফর্ম পড়ে বক্তব্য, পরে পুলিশ সদস্য বরখাস্ত সুদানে ড্রোন হামলায় প্রাণ গেল গাইবান্ধার সবুজের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাইল্যান্ডে পাঠানো হচ্ছে ওসমান হাদিকে
‎নুরুল ইসলাম নয়নের রাজনীতিতে সবুজ খানের অবদান

‎নুরুল ইসলাম নয়নের রাজনীতিতে সবুজ খানের অবদান

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি::‎রাজনীতিতে দুই যুগ ধরে বন্ধনের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে পরিচিত সিরাজুল ইসলাম সবুজ খান। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের রাজনীতিতে আস্থাশীল সহযাত্রী হিসেবেই তাকে চেনে স্থানীয় মানুষ। সততা, নিঃস্বার্থ সহযোগিতা এবং অটল বিশ্বাসের কারণে নয়নের রাজনৈতিক পথচলায় আজও তিনি ছায়াসঙ্গীর মতো পাশে আছেন।



‎সম্প্রতি চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে স্থানীয় বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হামলার শিকার হন সবুজ খান। খবর পেয়ে নয়ন তাকে ‘কলিজা’সম্বোধন করে খোঁজখবর নেন। দুই নেতার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এই ছোট্ট মুহূর্তটি রাজনৈতিক বন্ধনের বাইরে ব্যক্তিগত সম্মান ও আবেগেরও প্রতিফলন।

‎সবুজ খাঁনের জন্ম হয় চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার করিমপাড়া গ্রামে। বাবা আলী মিয়া, মা ফিরোজা বেগম। ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি তার প্রবল আগ্রহ ছিল। ২০০৩ সালে বরিশাল বিভাগীয় টিম লিডার হিসেবে নয়ন নেতৃত্ব প্রদানের সময় সক্রিয়ভাবে রাজনীতির মাঠে নামেন সবুজ। তখন থেকেই নয়নের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়, যা আজ দুই দশক পার করে অটুট বন্ধনে রূপ নিয়েছে।

শুধু মাঠের রাজনীতি নয়, ঢাকায় তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এমজিএস নেতাকর্মীদের মিলনকেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ের কর্মীদের ঢাকায় এনে আশ্রয় দেওয়া, নয়নের প্যানেলে ফুলেল বরণ—সবই করতেন সবুজ খান। বিএনপির দুঃসময়ে তার নীরব প্রচেষ্টা নয়নের নেতৃত্বকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

‎স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সাইফুল বলেন, যে সময় বিএনপির নাম উচ্চারণ করলেই জেলে যেতে হতো, তখনও সবুজ ভাই চুপচাপ দলের জন্য কাজ করেছেন। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা।

‎প্রবাসী মো. আলী যোগ করেন, ২০০৪ সালে নয়ন ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল সবুজ ভাই। তখনই বুঝেছিলাম, নয়ন ভাইয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তার অটল বিশ্বাস আছে। দুই দশক পরও সেই বিশ্বাস অটুট রয়েছে।

‎চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নয়নের নাম উঠে আসার সময় সবুজ খান ছিলেন তার পাশে। উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি নির্বাচনী খরচ নিয়ে হতাশার কথাও শোনা যেত তার কণ্ঠে। তবুও নয়নের সৎ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও নেতৃত্বের প্রতি তার আস্থা কখনো টলেনি।

‎আজও চরফ্যাশন-মনপুরার রাজনীতিতে সবুজ খান মানে নয়নের আস্থার প্রতীক। নিবেদিত, সাহসী ও নিরলস সহযোগী হিসেবে তার অবস্থান অটুট। স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা আশা করছেন—আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নয়নের নেতৃত্বে তার ভূমিকা আরও প্রসারিত হবে এবং বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও দৃঢ় হবে।



‎সবুজ খান জানান, নুরুল ইসলাম নয়ন ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দুই যুগের আস্থা ও বন্ধুত্বের প্রতীক। সততা, ধৈর্য ও সাহস নিয়ে দলের জন্য কাজ করাই আমার লক্ষ্য। নয়ন ভাইয়ের নেতৃত্বে আমি সবসময় দলের পাশে থাকব। আমাদের লক্ষ্য একটাই—চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানা এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষা করা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com