বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
গাইবান্ধায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে মে দিবস আসে, মে দিবস যায়— শ্রমিকের ভাগ্য বদলায় না কেন? মহান মে দিবস আজ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন ৯৬ খাতে ন্যূনতম মজুরি নেই, উন্নয়নের আড়ালে শ্রমিকের বঞ্চনা বেশি জুম করবেন না, পাপারাজ্জিদের কারিশমা কাপুর তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার তেল জব্দ-ইউএনও’র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা অভিযোগে জর্জরিত অধ্যক্ষের বদলি, লালমনিরহাট টিটিসিতে স্বস্তির আভাস ‎একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বাড়িছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেম করে বিয়ে, বাবার বাড়িতে গিয়ে শিকলবন্দী কিশোরী কলেজে হাঁটুপানি, এবার পা তুলে দিলেন অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা
গাইবান্ধায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে

গাইবান্ধায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি জিআর মামলায় নিকাহ রেজিস্টার কাজী মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ মিয়াকে (৬০) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত, সাদুল্লাপুর) পাপড়ি বড়ুয়া এ আদেশ দেন। আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করা হয়।

কারাগারে যাওয়া আসামি মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ সাদুল্লাপুর উপজেলার ৩ নং দামোদরপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী। পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কাজীর দায়িত্বও পালন করছিলেন। পশ্চিম দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দামোদরপুর ইউনিয়নের সভাপতি এবং উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি পশ্চিম দামোদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর থানায় দায়ের হওয়া জিআর মামলায় তাকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার ও কোর্ট জিআরও মামলার আরজির বরাত দিয়ে জানান, সম্প্রতি নলডাঙ্গা এলাকায় এক তরুণকে আটক রেখে জোরপূর্বক একটি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। মেয়ের পরিবার ওই তরুণকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয় এবং উক্ত বিয়ে রেজিস্ট্রির কাজ সম্পন্ন করেন কাজী আব্দুল হামিদ। এ ঘটনার পর ছেলের পরিবার সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মেয়ের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কাজীকেও আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষানবীশ আইনজীবী রওশন আলম জানান, অভিযুক্ত কাজী আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে তিনি আরও বলেন, জোরপূর্বক বিয়ের ঘটনায় মূল দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষের হলেও, বিয়ে রেজিস্ট্রি করার কারণে কাজীকেও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তিনি জামিন পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com