বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে: জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী গঙ্গাচড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী রমজান আলীর দুর্নীতির পাহাড় : বরখাস্ত হলেও থামেনি তদন্ত স্ত্রীকে আনতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হাতে খুন হন শফিকুল বুলবুল ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ে,এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত: যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড হাতীবান্ধায় পুলিশের মোটরসাইকেলের ধা’ক্কায় বৃদ্ধা মহিলা নি’হত দুর্ঘটনায় ‎মেরুদণ্ড ভেঙে শয্যাশায়ী দিনমজুর ছালাউদ্দিন, চরম মানবিক সংকটে পরিবার বিকেলে ছুটির পর সন্ধ্যায় তালাবদ্ধ স্কুলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হলো শিশু গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি দিলো জামায়াতসহ ১১ দল
বিএনপি নেতা ইলিয়াস হত্যায় ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১

বিএনপি নেতা ইলিয়াস হত্যায় ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিএনপির নেতা ইলিয়াস মিয়াকে (৪২) হত্যার ঘটনায় স্বপ্না বেগম (৩৫) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র খানাবাড়ি গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র বেকি,ছুড়ি, লোহার রডসহ স্বপ্না বেগমকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। স্বপ্না বেগম এজাহার নামীয় ১ নম্বর আসামি সুমন মিয়ার বড় ভাই নীল মিয়ার স্ত্রী।

এর আগে, সোমবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী মোছা. লিপি বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত ইলিয়াস মিয়া উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র খানাবাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল ব্যাপারীর ছেলে। তিনি সর্বানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী প্রবাসী মো. তারাজুল ইসলামের সঙ্গে ইলিয়াস মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলছিল। প্রবাসে থেকেই তারাজুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে ইলিয়াস মিয়াকে হত্যার ছক কষেন এবং মামলার প্রধান আসামি সুমন মিয়াকে অর্থ ও পরামর্শ দেন।

গত শুক্রবার (৬ জুন) রাত ১১টার দিকে ইলিয়াস মিয়া তার মৎস্য খামার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে জামগাছতলায় পৌঁছালে সুমন মিয়া ও তার সহযোগীরা লাঠিসোঁটা, রড ও বেকি দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে রাতেই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি সুমন মিয়া একই গ্রামের মজিবর রহমান সর্দারের ছেলে। মামলার অন্যান্য আসামিরা সক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, “শনিবার বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইলিয়াস মিয়া মারা যান। তার স্ত্রী সোমবার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান আব্যাহত আছে ।”

 

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com