বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে রেললাইনে শুয়ে থাকা বৃদ্ধ ট্রেনে কা’টা পড়ে মৃ’ত্যু শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বসতবাড়ি, লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি রক্তাক্ত বরেন্দ্র প্রেসক্লাব : সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে স্তব্ধ রাজশাহী পঞ্চগড়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: গাছচাপায় নিহত ১, আহত ২ পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা এবার পঞ্চগড়ে গাছে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গেল বাস, আহত ২০ যাত্রী এবার ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ আগুন স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ ফ্রিতে মোবাইল ফোনে দেখা যাচ্ছে শাকিবের ‘প্রিন্স’!
ছয় লাখ মুসল্লির ঢলে ইতিহাস ছুঁলো শোলাকিয়ার ময়দান,শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের জামাত সম্পন্ন

ছয় লাখ মুসল্লির ঢলে ইতিহাস ছুঁলো শোলাকিয়ার ময়দান,শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের জামাত সম্পন্ন

ডেস্ক রিপোর্ট :: দেশের সর্ববৃহৎ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে এবার অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ করে ছয় লক্ষাধীক মুসল্লীর উপস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোরের আলো ফোটার পূর্বেই জনসমুদ্রে পরিণত হয় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। দেশের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন ঈদ জামাতে এবার অংশ নিলেন ছয় লাখেরও বেশি মুসল্লি— যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ সমাগম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের এই জামাতে ইমামতি করেন শহরের বড়বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় জামাত।

জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, দেশ-বিদেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে এবারের জামাত ছিল নজিরবিহীন।

তিনি বলেন, সরণকালের সবচেয়ে বেশি মুসল্লি এবারের জামাতে উপস্থিতি ছিল। প্রশাসনের সব রকমের নিরাপত্তায় শান্তিময় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঈদের আগের দিন থেকেই কিশোরগঞ্জমুখী মানুষের ঢল নামতে দেখা যায়। দেশের ৬৪ জেলা ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে দলে দলে মুসল্লিরা ছুটে আসেন এই ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। কেউ আত্মীয়ের বাসায়, কেউ মসজিদে, আবার অনেকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান শুধু একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায়ের আকাঙ্ক্ষায়।

সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জায়গা না পেয়ে আশপাশের সড়ক, ভবনের ছাদ এমনকি নরসুন্দা নদীর তীরেও কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।

শোলাকিয়ার ঐতিহ্য অনুযায়ী, জামাত শুরুর ১০ মিনিটি আগে ৫টি, ৫ মিনিট আগে ৩টি এবং ১ মিনিট আগে দু’টি পরপর তিনবার শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে জামাতে দাঁড়ানোর সংকেত দেওয়া হয়। নামাজ শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি এবং বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শোলাকিয়ার এই মিলনমেলা যেন শুধুই নামাজ নয়, হয়ে উঠেছে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য আর বিশ্বাসের এক অনন্য প্রতীক। পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জামাতে অংশগ্রহণ করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com