বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র পাম্পে পাম্পে হাহাকার, তেলের জন্য দিতে হচ্ছে অগ্নিপরীক্ষা হামের চতুর্মুখী প্রাদুর্ভাব, দায়ী স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা সারা দেশে চাঁদাবাজ গডফাদার ৬৫০, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা; জনমনে ক্ষোভ যুদ্ধের প্রভাব: প্রবৃদ্ধি কমছে, মূল্যস্ফীতিতে চাপে বাংলাদেশ গাইবান্ধায় পরিবার রাজি না হওয়ায় বিষপানে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক হাসপাতালে পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও রায় অমান্যের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন চরফ্যাশনে সিঁড়ির রেলিংয়ে আটকে পড়া শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস পঞ্চগড়ে ৫ বছরের কম বয়সী ১লক্ষ ৩৬ হাজার শিশু পাবে হামের টিকা পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের দোকানঘর অবৈধ দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র

থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র

গাজীপুর প্রতিনিধি: থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে যেন বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র। বাঁশের মাচায় ঝুলে থাকা সবুজ আঙুর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। দেশে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছেন স্থানীয় এক উদ্যোক্তা।

দেশের মাটিতে বাণিজ্যিক চাষে সফল হয়েছেন গাজীপুরের বাসিন্দা প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান। ইউক্রেন জাতের আঙুর চাষ করে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন তিনি। এ বাগানের বাঁশের মাচায় ঝুলে থাকা আঙুর দূর থেকে পথচারীদের নজর কাড়ছে। এখনো বিক্রির উপযোগী না হলেও ফলন ভালো হওয়ায় অনেক পাইকার তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

গাজীপুর মহানগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিপ্রবর্থা এলাকায় প্রায় ৫ একর জমি লিজ নিয়ে রোকনুজ্জামান মালটা, ড্রাগন ও প্যাশন ফল চাষ করে আগেই সফলতা পান। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এক বিঘা জমিতে ইউক্রেন জাতের আঙুর চাষ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ওই জমিতে দুশতাধিক গাছে ঝুলছে আঙুর। প্রতিটি গাছেই সমানভাবে ফল ধরেছে।

বাগান পরিচর্চাকারী ও ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, এই জাতের আঙুর গাছে ফেব্রুয়ারির দিকে ফুল আসে। চার মাসেই ফল পরিপক্ক হয়ে খাওয়ার উপযোগী হয়। বাংলাদেশে চাষ করা অন্য ফসলের মতোই এর সার ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা করতে হয়।

বাগান দেখতে আসা মাসুদ রানা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বাগানের ছবি দেখেছি। বাগানে এসে দেখলাম গাজীপুরেও এত সুন্দর আঙুর চাষ সম্ভব। ফলন দেখে আমরা মুগ্ধ। এখান থেকে চারা নিয়ে চাষ করার কথা ভাবছি।

প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, করোনা মহামারির সময় থেকেই পেশাগত কাজের পাশাপাশি কৃষির দিকে ঝুঁকে পড়ি। শুরুতে বিভিন্ন ফলের চাষ করলেও এবার আঙুর নিয়ে কাজ শুরু করি। এক বিঘা জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ ও পরিচর্যা মিলিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তবে প্রথমবারের ফলনেই সেই খরচ ওঠে আসবে বলে আশা করছি। এরপর অন্তত ২০ বছর এই গাছ থেকে নিয়মিত ফলন পাওয়া যাবে।

গাজীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, আমরা খবর পেয়ে বাগানটি পরিদর্শন করেছি। রোকনুজ্জামান আগে থেকেই ড্রাগন ফল চাষে সফল ছিলেন। এবার তিনি বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেছেন। উৎপাদনের পরিমাণ ও বাজারজাতকরণের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। গাজীপুরের বাসিন্দা ও কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু নতুন ফসলের সম্ভাবনাই তৈরি করছে না, বরং দেশের কৃষিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com