বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
এক বছরের সাজা এড়াতে ৯ বছর পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার কালিমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার টেটে গাইবান্ধায় ২০২৫ সালের প্রশ্নে পরীক্ষা দিলেন এক কেন্দ্রের ২০ পরীক্ষার্থী বদলির ৮ দিন পরও বোদায় যোগদান করেননি বিতর্কিত সেই এসিল্যান্ড লালমনিরহাট টিটিসিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন বোদায় ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে চলছে পাঠদান, বেহাল বিদ্যালয়ের পরিবেশ, স্থানীয়দের ক্ষোভ কক্সবাজার উখিয়ার বালুছড়ায় ১ লাখ ইয়াবাসহ আটক ১ পঞ্চগড়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত, আহত বাবা-মা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে একক ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে জমি লিখে না দেওয়ায় স্বামীকে খুন করালেন স্ত্রী
চা কারখানার পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে মামলার শিকার উদ্যোক্তা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চা কারখানার পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে মামলার শিকার উদ্যোক্তা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার::উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে, মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার তরুণ উদ্যোক্তা প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর)দুপুরে চা কারখানায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরিফ হোসেন বলেন,উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের চা কারখানাটি দীর্ঘদিন যাবত পরিচালকদের মধ্যে দ্বন্দে বন্ধ ছিল।এক পক্ষে ছিল সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী আইরিন পারভীন তার সন্তান ও ভায়রা ভাই।অপর পক্ষে আব্দুর রাজ্জাক, তারিকুল ইসলাম।৫ই আগস্ট জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী হাসিনা পালানোর পর, ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার শুরুতেই তরুণ উদ্যোক্তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি উদ্যোক্তা হওয়ার মোটিভেশনাল বক্তব্যে আকৃষ্ট হয়েই, উত্তরা গ্রীণ টি কারখানাটির এমডি এবং সংখ্যাগরিষ্ট পরিচালকদের মতামতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আদালতের কাছে অনুমতি নিয়ে চুক্তিপত্র করে  আমরা পাচঁ জন তরুণ উদ্যোক্তা চা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করি।
তিনি বলেন,কারখানায় শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।ভাড়া নেওয়ার কয়েকমাস পরে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে, চা কারখানার চেয়ারম্যান আইরিন পারভীন,পরিচালক শাহআলম মিঠু,সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের সাথে আমার ছোট ভাই রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।

পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে চা কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেলে, প্রায় শতাধিক পরিবার কর্মসংস্থানহীন হয়ে পড়বে।তাই কারখানাটি  সচল রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব।কারখানাতে চা বিক্রির মাধ্যমে জড়িয়ে আছে সরকারের রাজস্ব আয়।এছাড়াও চা চাষীরা সরাসরি কারখানায় কাঁচা পাতা বিক্রি করতে পারছে।

আমি মনে করি আমার ছোট ভাই রাকিবসহ আমরা এই কারখানার সাথে জড়িত আছি। আমাদেরকে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে, মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ সময় নতুন উদ্যোক্তা রাকিব হোসেন,চা কারখানার মকলেছার রহমান,মন্তাজ আলী, কারখানার শ্রমিক ও চা চাষীরা উপস্থিত ছিলেন। 


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com