বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে, সংবাদ সম্মেলন ‎ বার কাউন্সিল ভাইভা পরীক্ষায় শিবরাম স্কুলের প্রধান শিক্ষক লতা উত্তীর্ণ বারবার ফেলের তালিকায় আমি, তবুও বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইনজীবীদের অভিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এলোপাতাড়ি গুলিতে ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর’ আহত পঞ্চগড়ে ভাইরাল পকেটমার কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার, টাকা উদ্ধার ৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি চাঁদপুরে গ্যাস লিকেজের আগুন, পুড়ল পুলিশের গাড়ি ও অটোরিকশা ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ভারত থেকে এলো ১৬ টন চাল
আটোয়ারীর আলোচিত অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আটোয়ারীর আলোচিত অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জাল করে অবৈধভাবে গভর্নিং বডির অনুমোদন নেওয়ার ঘটনায় রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত–৫ এর বিচারক মো. নুরুজ্জামান এ আদেশ দেন।

সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জাল প্রমাণিত হলে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। যদিও এর আগে পিবিআই’র এক কর্মকর্তা ভুয়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে বাদী আপত্তি জানিয়ে পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন। পরে সিআইডি তদন্তে প্রমাণ পায় জালিয়াতির।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকার মিথ্যা প্রজ্ঞাপন তৈরি করে গভর্নিং বডি অনুমোদন নেন এবং সেই অবৈধ কমিটির মাধ্যমে একাধিক পদে নিয়োগ দেন। এসব নিয়োগের মধ্যে ছিলেন—উপাধ্যক্ষ আব্দুল বাসেদ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ আলী, নিরাপত্তা প্রহরী নুর নবী ও আয়া পদে শাহানাজ পারভিন।

মামলার বাদী ও সাবেক অভিভাবক সদস্য আনছারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একজন অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শেখানোর কথা, অথচ তিনি প্রজ্ঞাপন জাল করে প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত করেছেন।”

লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো. রায়হান কবীর জানান, “অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে তাকে আগেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন আদালতের আদেশ প্রমাণ করল, তার কর্মকাণ্ড ছিল জালিয়াতির ওপর দাঁড়িয়ে। যাদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, একজন অধ্যক্ষের এমন কর্মকাণ্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com