বিজ্ঞাপন:
 
বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

তাহমিনা আক্তার, ঢাকা: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ (বিকল্প)।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইস্কান্দার আলী হাওলাদার। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহাসচিব মো. রেজাউল হক।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের প্রায় ৫০ হাজার কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে এক কোটির বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ৮ লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রায় দেড় লাখ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে আসছে। অথচ সরকার বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে এই শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করেছে, যা স্পষ্ট বৈষম্য।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জারি করা পরিপত্রে বৃত্তি পরীক্ষায় শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরা।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে কিন্ডারগার্টেন প্রতিনিধিরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে মহাপরিচালক জানান, “বিষয়টি উচ্চ আদালতে রিটাধীন থাকায় কোনও সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. এল এম কামরুজ্জামান, সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, মহাসচিব মো. জয়নুল আবেদীন জয়, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটির সভাপতি আবু তালেব, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলাম স্বপনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। অথচ নতুন পরিপত্র জারি করে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে, যা অযৌক্তিক। তারা দ্রুত এ বৈষম্যমূলক পরিপত্র বাতিল করে সব শিক্ষার্থীর সমান অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com