মামুনুর রশিদ মিঠু, লালমনিরহাট ::লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, লালমনিরহাট এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রাতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে, কালীগঞ্জ থানার পরিবহন দ্বারা প্রতারনা মামলার আসামী খুলনা জেলার বৈকালী পালপাড়ার খুলনাসিটি করপোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ডের ইদ্রিস আলী মুন্সির ছেলে।

(১) মোঃ জাহিদুল মুন্সি (৪০), ঢাকা জেলার ডেমরা উপজেলার পশ্চিম টেংরা ৭ নং ওয়ার্ডের ধনু মিয়া হরন আলীর ছেলে
(২) মোঃ রবিবউল ইসলাম মনির (৫৮) ও মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে
(৩) মোঃ আঃ রহমান হাওলাদার জসিম ভান্ডারী (৫৪) গনকে গ্রেফতার করা হয়।

উপরোক্ত কালীগঞ্জ থানার মামলাটি পুলিশ সুপার মহাদোয়ের নির্দেশক্রমে তদন্তভার অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা, লালমনিরহাটকে অর্পন করলে অফিসার ইনচার্জ মামলাটি এসআই (নিঃ) মোঃ মুকুল মিয়াকে তদন্তভার প্রদান করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে মামলার বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন যে, মেসার্স শুভেচ্ছা ট্রেডাস” ধান/ চাউল ক্রয় বিক্রয়ের ব্যবসায়ী। এমতাবস্থায় গত ২/০৭/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ১০ টার দিকে লালমনিরহাট জেলা ট্রাক, ট্যাংলরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, যাহার রেজিঃ নং-রাজ-২৪৯৪ মোঃ সরওয়ার হোসেন এর মাধ্যমে স্নেহা অটো রাইস মিল, প্রোঃ শ্রী সুরেশ চন্দ্র রায়, বটতলী দিনাজপুর যাইবে বলিয়া একটি ট্রাক, যাহার ভূয়া রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৭৬৬৪, ইঞ্জিন নং-BS91450142163364866, চেসিস নং- MAT395011E2R10822, ১৬,৫০০/- (ষোল হাজার পাঁচশত) টাকায় ভাড়া করেন। পিরোজপুর জেলার কাউখালি উপজেলার জোলাগাতি গ্রামের ইদ্রিস আলী মুন্সির ওরফে ইছাহাক মোল্লার ছেলে ট্রাক ড্রাইভার

( ১) মোঃ জাহিদুল ইসলাম দুখু ওরফে তাইজুল মোল্লা (৪২) ( বর্তমানে মাদারীপুর জেলায় বসবাস করে।),
(২)মোঃ জসিম (৩৫), লালমনিরহাট সদর উপজেলার ডায়াবেটিস এলাকার ধন মামুদ সরকারের ছেলে (৩)
মোঃ সরওয়ার হোসেন (৫৫),
লালমনিরহাটগনসহ ট্রাকটি যথাস্থান “স্নেহা অটো রাইস মিল” এ না পৌঁছাইলে পরবর্তীতে গত ০৪/০৭/২০২৫ ইং তারিখ রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৭৬৬৪ ট্রাকটি বিভিন্ন জায়গায় সন্ধান করে। কোন খোজ খবর না পাওয়ায় গত ২৮/০৭/২০২৫ ইং তারিখে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে মামলাটি তদন্তকারী অফিসার তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উপরোল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা মূলত আন্তঃজেলা প্রতারক চক্রের সদস্য। যাদের কাজই হলো পণ্য পরিবহনের নামে মালামাল আত্মসাৎ করা। আটককৃতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। অন্যান্য প্রতারক চক্রের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে ডিবি ( ওসি) সাদ আহমেদ জানান।

তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সোমবার ১১ আগষ্ট লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Leave a Reply