বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে: জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী গঙ্গাচড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী রমজান আলীর দুর্নীতির পাহাড় : বরখাস্ত হলেও থামেনি তদন্ত স্ত্রীকে আনতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হাতে খুন হন শফিকুল বুলবুল ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ে,এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত: যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড হাতীবান্ধায় পুলিশের মোটরসাইকেলের ধা’ক্কায় বৃদ্ধা মহিলা নি’হত দুর্ঘটনায় ‎মেরুদণ্ড ভেঙে শয্যাশায়ী দিনমজুর ছালাউদ্দিন, চরম মানবিক সংকটে পরিবার বিকেলে ছুটির পর সন্ধ্যায় তালাবদ্ধ স্কুলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হলো শিশু গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি দিলো জামায়াতসহ ১১ দল
তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের আলোচিত এইচএসসি পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী আনিসা গত ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিনে এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সে সময় তাঁর কান্নার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দাবি করা হয়, মাকে স্ট্রোক হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে গিয়ে তিনি দেরি করেছিলেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তাঁর পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সিদ্ধান্ত হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।” বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ঘটনার বিবরণ পুরোপুরি সত্য নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম তদন্ত চালিয়ে প্রতিবেদনে আনিসার দাবির সত্যতা পায়নি।

শনিবার কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আনিসার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, একটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ না নিলেও অন্য বিষয়ে ৬৬ নম্বর পেলে তিনি পাস করতে পারবেন।

গত ২৬ জুন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় কেন্দ্রের বাইরে আনিসাকে কাঁদতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে বলা হয়েছিল, তাঁর বাবা মারা গেছেন এবং মা পরীক্ষার দিন সকালে মেজর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরিবারের অন্য কেউ দায়িত্ব নিতে না পারায় তাঁকে মাকে হাসপাতালে নিতে হয় এবং কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়।

এ বছর সাড়ে ১২ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৩৯১ জন কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উচ্চতর গণিত, রসায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি—এই তিন বিষয়ের প্রশ্ন ছিল কঠিন। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার মতোই খাতা মূল্যায়ন হবে; কোনো গ্রেস বা সহানুভূতির নম্বর দেওয়া হবে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com