বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে একভাবে দেখার সুযোগ নেই : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী বিধবা নারীর ঘর থেকে গভীর রাতে ইমাম আটক এইচএসসির কেন্দ্রগুলো শতভাগ নকলমুক্ত ও প্রভাবমুক্ত থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী মেসির রেকর্ড গোলে নকআউটের আগে শতভাগ জয় আর্জেন্টিনার বিএনপির শোডাউনে ছাত্রলীগের হামলা, ১০ নেতাকর্মী আহত গাজীপুরে নির্মাণের ৩ মাসেই ধসে গেছে ৯ কোটি টাকার সড়ক সড়কের দুই পাশে সারি সারি কালেমার পতাকা, প্রশাসনের নজরদারি ফেনীতে অটোরিকশা-পিকআপ সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ নিহত ৩ লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত- ৩ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের আলোচিত এইচএসসি পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী আনিসা গত ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিনে এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সে সময় তাঁর কান্নার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দাবি করা হয়, মাকে স্ট্রোক হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে গিয়ে তিনি দেরি করেছিলেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তাঁর পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সিদ্ধান্ত হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।” বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ঘটনার বিবরণ পুরোপুরি সত্য নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম তদন্ত চালিয়ে প্রতিবেদনে আনিসার দাবির সত্যতা পায়নি।

শনিবার কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আনিসার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, একটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ না নিলেও অন্য বিষয়ে ৬৬ নম্বর পেলে তিনি পাস করতে পারবেন।

গত ২৬ জুন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় কেন্দ্রের বাইরে আনিসাকে কাঁদতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে বলা হয়েছিল, তাঁর বাবা মারা গেছেন এবং মা পরীক্ষার দিন সকালে মেজর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরিবারের অন্য কেউ দায়িত্ব নিতে না পারায় তাঁকে মাকে হাসপাতালে নিতে হয় এবং কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়।

এ বছর সাড়ে ১২ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৩৯১ জন কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উচ্চতর গণিত, রসায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি—এই তিন বিষয়ের প্রশ্ন ছিল কঠিন। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার মতোই খাতা মূল্যায়ন হবে; কোনো গ্রেস বা সহানুভূতির নম্বর দেওয়া হবে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com