বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
বুড়িচংয়ে হত্যা মামলা তুলে নিতে নারী ও তাঁর স্বামীকে হত্যার হুমকি কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্বার,গ্রেপ্তার-১ সিআইডির জ্যাকেট-ওয়াকিটকি নিয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী হাতীবান্ধায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রে’প্তার, কারসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার স্বরাষ্ট্র ছাড়লেন সালাহউদ্দিন, দায়িত্ব পেলেন এলজিআরডির দুপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে পালাল কিশোরী খাগড়াছড়িতে ২৪টি গুইসাপসহ নারী আটক বাবার সঙ্গে গোসলে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুর মৃত্যু সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, থামালেন এসিল্যান্ড
তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

তদন্তে দাবির সত্যতা মেলেনি, বাদ আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের আলোচিত এইচএসসি পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী আনিসা গত ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিনে এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সে সময় তাঁর কান্নার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দাবি করা হয়, মাকে স্ট্রোক হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে গিয়ে তিনি দেরি করেছিলেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তাঁর পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সিদ্ধান্ত হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।” বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ঘটনার বিবরণ পুরোপুরি সত্য নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম তদন্ত চালিয়ে প্রতিবেদনে আনিসার দাবির সত্যতা পায়নি।

শনিবার কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আনিসার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, একটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ না নিলেও অন্য বিষয়ে ৬৬ নম্বর পেলে তিনি পাস করতে পারবেন।

গত ২৬ জুন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় কেন্দ্রের বাইরে আনিসাকে কাঁদতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে বলা হয়েছিল, তাঁর বাবা মারা গেছেন এবং মা পরীক্ষার দিন সকালে মেজর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরিবারের অন্য কেউ দায়িত্ব নিতে না পারায় তাঁকে মাকে হাসপাতালে নিতে হয় এবং কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়।

এ বছর সাড়ে ১২ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৩৯১ জন কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উচ্চতর গণিত, রসায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি—এই তিন বিষয়ের প্রশ্ন ছিল কঠিন। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার মতোই খাতা মূল্যায়ন হবে; কোনো গ্রেস বা সহানুভূতির নম্বর দেওয়া হবে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com