বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে মাদক ও চাঁদাবাজি চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে ১০ দিনের নবজাতক বাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার,এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা; ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি চোরকে চিনে ফেলায় র‌্যাব সদস্যের স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বর্ণালঙ্কার লুট প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ আনাস পঞ্চগড়ে জনবল কাঠামো নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করে এমপিও’র দাবিতে মানববন্ধন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে এদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না: ড. মাসুদ ৩৫ ফুটের গর্তে পড়া ২ বছরের শিশুটি ১০ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি
কুমিল্লা থেকে অপহরণ: কক্সবাজারে মিলল যুবকের মরদেহ

কুমিল্লা থেকে অপহরণ: কক্সবাজারে মিলল যুবকের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা শহর থেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে সজিব হোসেন (২৬) নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে এনে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতে ফেলে দেওয়া হয়।

পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বিকেলে ইনানী সৈকতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে উখিয়া থানা পুলিশ।

নিহত সজিব কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভাউকসার গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম কামাল হোসেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ আগস্ট ব্যক্তিগত কাজে কুমিল্লা শহরে গিয়েছিলেন সজিব। সেদিন থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। খোঁজাখুঁজির পর পরিবার কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।

এর মধ্যে এক অজ্ঞাত নম্বর থেকে সজিবের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, সজিব অপহৃত হয়েছে এবং তাঁকে মুক্ত করতে হলে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, ‘পরিবার থেকে মুক্তিপণ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। এরপর অপহরণকারীরা সজিবকে নির্যাতনের পর হত্যা করে। মরদেহ ঢেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে নিয়ে ফেলে যায়।’

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশের এই কর্মকর্তা।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ইনানী সৈকত থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com