বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
৯৬ খাতে ন্যূনতম মজুরি নেই, উন্নয়নের আড়ালে শ্রমিকের বঞ্চনা বেশি জুম করবেন না, পাপারাজ্জিদের কারিশমা কাপুর তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার তেল জব্দ-ইউএনও’র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা অভিযোগে জর্জরিত অধ্যক্ষের বদলি, লালমনিরহাট টিটিসিতে স্বস্তির আভাস ‎একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বাড়িছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেম করে বিয়ে, বাবার বাড়িতে গিয়ে শিকলবন্দী কিশোরী কলেজে হাঁটুপানি, এবার পা তুলে দিলেন অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ বাড়াবাড়ি দেখলে বলতে ইচ্ছা করে ‘তোরা রাজাকার’: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সুন্দরগঞ্জে নৈশপ্রহরী সন্তোষের রাজকীয় বিদায় 

সুন্দরগঞ্জে নৈশপ্রহরী সন্তোষের রাজকীয় বিদায় 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: টানা ৩০ বছরের কর্মজীবন শেষে রাজকীয় বিদায় পেলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রাপ্ত জহরুলহাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী সন্তোষ চন্দ্র সরকার। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সহকর্মীসহ সবার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নেন সুসজ্জিত গাড়িতে।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে এই নৈশ প্রহরীর বিদায়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সহকর্মীসহ শিক্ষার্থীরা।

বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঞ্চ থেকে ফুলের শুভেচ্ছাসহ হাতে তুলে দেয়া হয় সম্মাননা স্মারক।

এদিন তার বিদায়কে ঘিরে আয়োজকরা একটি প্রাইভেটকার ফুল দিয়ে সুসজ্জিত করেন। বিদায় সংবর্ধনায় ফুলের মালা পরিয়ে নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী হাতে তুলে দেন তারা। পরে তাকে ফুল সুসজ্জিত ছাদ খোলা প্রাইভেটকারে বসিয়ে রাজকীয় সম্মানে পৌঁছে দেন তার নিজ বাড়িতে।

এমন বিদায় সংবর্ধনা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সন্তোষ চন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, এমন আয়োজনে আমি অনেক আনন্দিত। পাশাপাশি স্কুল ছেড়ে যাওয়াতে খুব খারাপ লাগছে। আমার মতো একজন মানুষকে এভাবে সবাই সম্মান জানিয়ে বিদায় দেবে এটি কখনো ভাবিনি। এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। দীর্ঘদিন এ বিদ্যালয়ে ছিলাম, অনেক স্মৃতি রয়েছে। সেগুলো আঁকড়ে ধরে বাকি জীবন কাটিয়ে দেব।

জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন সন্তোষ চন্দ্র সরকার নৈশ প্রহরী হিসেবে। তিন সন্তানের জনক সন্তোষ চন্দ্র সরকার। তিনি বর্তমানে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দেওডোবা গ্রামে বসবাস করছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. জহুরুল ইসলাম বাদশা বলেন , তার মতো এমন নিবেদিত মানুষকে আমরা বিদায় দিতে পেরেছি এটিই সবচেয়ে বেশি আনন্দের। বিদ্যালয়ের সাবেক বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষক- শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে সন্তোষ চন্দ্র সরকারকে উপহার দেওয়া হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com