বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে অতিরিক্ত পিপির ওপর হামলা, প্রতিবাদে আইনজীবীদের মানববন্ধন শেখ মুজিবের মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে অস্বীকার করতে পারব না : নুর লালমনিরহাটে তামাকের আগ্রাসন,বাড়ছে তামাক চাষের জমি ভারতের ইঙ্গিতে তারেক রহমান দেশে আসছেন না, সেটা ভাববেন না ফজরের নামাজের পর করণীয় আমল কিস্তির টাকা না পেয়ে হাঁস নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মী নির্বাচনি উঠান বৈঠকে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বিএনপি নেতা ক্ষমতায় গেলে বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে: রিজভী চরফ্যাশনে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন পঞ্চগড়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নারীর মৃত্যু, আহত স্বামী
বিশ্বজুড়ে তেলের দাম উর্ধ্বমুখী, হরমুজ প্রণালী ঘিরে উদ্বেগ

বিশ্বজুড়ে তেলের দাম উর্ধ্বমুখী, হরমুজ প্রণালী ঘিরে উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার:: ইরানে মার্কিন হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুতগতিতে বাড়ছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের WTI তেলের দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি ব্যারেল ৭৫.৩১ ডলার এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭৮.৫২ ডলারে পৌঁছায়, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের সম্ভাবনা।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ শতাংশ বৈশ্বিক তেল সরবরাহ হয়। ইরানের পার্লামেন্ট এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন, তবুও ঘোষণাটিই বিশ্ববাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র একে ‘অর্থনৈতিক আত্মহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে চীনকেও পরিস্থিতি প্রশমনে ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্ববাজারে দামের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ে গোল্ডম্যান স্যাকস পূর্বাভাস দিয়েছে, যদি হরমুজ প্রণালী এক মাসের জন্য ৫০ শতাংশ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ব্রেন্ট তেলের দাম ৯০ থেকে ১১০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। আর পুরোপুরি বন্ধ হলে তা ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র তেল সরবরাহ নয়, পরিবহন খরচ, বীমা ও বৈশ্বিক রাজনীতির চাপও দাম বাড়াচ্ছে।

তেলের বাজারের এই অস্থিরতা বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও প্রভাব ফেলছে। এশিয়ার বাজারে সূচক পতন দেখা গেছে এবং বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে নিরাপদ খাতে সরে যাচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা প্রশমন না হলে সামনের দিনগুলোতে তেলের বাজার আরও অস্থির হতে পারে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com