বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
বেশি জুম করবেন না, পাপারাজ্জিদের কারিশমা কাপুর তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার তেল জব্দ-ইউএনও’র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা অভিযোগে জর্জরিত অধ্যক্ষের বদলি, লালমনিরহাট টিটিসিতে স্বস্তির আভাস ‎একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বাড়িছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেম করে বিয়ে, বাবার বাড়িতে গিয়ে শিকলবন্দী কিশোরী কলেজে হাঁটুপানি, এবার পা তুলে দিলেন অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ বাড়াবাড়ি দেখলে বলতে ইচ্ছা করে ‘তোরা রাজাকার’: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃষ্টির কারণে চাহিদা কিছুটা কমলেও, এত তেল যাচ্ছে কোথায়?
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, আর্তনাদ লুকাতে সাউন্ডবক্সে উচ্চশব্দে গান

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, আর্তনাদ লুকাতে সাউন্ডবক্সে উচ্চশব্দে গান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে রেস্তোরাঁয় ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের সময় কিশোরীর চিৎকার চাপা দিতে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে গান বাজানো হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় নাইম হোসেন (২০) নামে এক যুবকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। কিশোরী উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রবিবার সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় কিশোরীকে রাস্তা থেকে জোর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয় নাইম ও তার সহযোগীরা। পরে তারা কিশোরীকে স্থানীয় ‘ডেরা ফাস্টফুড অ্যান্ড চায়নিজ রেস্টুরেন্টে’ নিয়ে যায়। সেখানে নাইম তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ইমরান (২১), আকাশ (২১), আতিক (২৩), নাছিম উদ্দিন (২০) ও নাজমুল হক নয়ন (২০) ফটকে পাহারা দেয় এবং রেস্টুরেন্টে সাউন্ডবক্সে জোরে গান বাজিয়ে কিশোরীর চিৎকার চাপা দেয়।

এম মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক পার্থ সাহা বলেন, কিশোরীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

মামলার বাদী কিশোরীর মা বলেন, ‘আমার মেয়ে প্রতিদিনের মতো রোববারও মাদ্রাসায় যায়। ছুটি হওয়ার পরও যখন বাড়ি ফেরেনি, তখন খোঁজাখুঁজি শুরু করি। এক পর্যায়ে এক অচেনা ব্যক্তি ফোন করে জানায়, মেয়ে অসুস্থ হয়ে সিরাজগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে আছে। সেখানে গিয়ে মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় পাই। পরে এম মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি।’

সোমবার বিকেলে ‘ডেরা ফাস্টফুড অ্যান্ড চায়নিজ রেস্টুরেন্টে’ গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক রেস্টুরেন্টে আড্ডা দিচ্ছেন। সাংবাদিকদের দেখে তারা উত্তেজিত হয়ে চড়াও হন। পরে পুলিশ গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করে এবং আলামত সংগ্রহের জন্য রেস্টুরেন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।

কামারখন্দ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল আকতার বলেন, আলামত সংগ্রহের জন্য রেস্তোরাঁটি বিকেলে বন্ধ রাখা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, কিশোরীর মা ছয়জনের নামোল্লেখ করে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com