বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
‎পাটগ্রাম সীমান্তে গুলিতে নিহত গরু ব্যবসায়ীর লাশ নিয়ে গেছে ভারতীয় বিএসএফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকদের কর্মসূচি; বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে পরীক্ষা নিলেন ইউএনও দ্বিতীয় স্ত্রীর মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার নুরে আলম বেপারি জুলাই আদর্শিক জাগরণের প্রতীক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই শিখিয়েছে: জাহিদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে মাহিরুলে মুখোশ উম্মোচন! ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ১৬ কোটি টাকার টার্মিনালে মাদকাসক্তদের আড্ডাখানা লালমনিরহাটে ভোগদখলীয় জমি জবরদখল ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ (জকসু) নির্বাচনে রংপুর বিভাগের একমাত্র ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী লালমনিরহাটের আজিজুল হাকিম আকাশ গ্রেড উন্নীতকরণে রাজশাহীতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস অবস্থান ধর্মঘট
গাইবান্ধায় এইচএসসিতে পাশের হারে শীর্ষে এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ

গাইবান্ধায় এইচএসসিতে পাশের হারে শীর্ষে এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

প্রতিষ্ঠানটির ১৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৪ জন পাস করেছে—পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। পাশাপাশি ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

 

আরো পড়ুন: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটায় দুই কলেজে পাশ করে নি কেউ!

 

ফলাফলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ। কলেজটির ৮০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৩৩ জন পাস করেছে—পাসের হার ৯০ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে ২৪৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা জেলার মধ্যে সর্বাধিক জিপিএ-৫ প্রাপ্ত বিদ্যাপীঠ।

তৃতীয় স্থানে আছে আহমেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৩৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১৬ জন পাস করেছে এবং ৩১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এছাড়া গাইবান্ধা সরকারি মহিলা কলেজে ৪৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫৮ জন পাস করেছে এবং ২৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৭৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৬১ জনের মধ্যে ১২৪ জন পাস করেছে—পাসের হার ৭৭ দশমিক ০২ শতাংশ।

অন্যদিকে, গাইবান্ধা আদর্শ কলেজে ৪৭৩ জনের মধ্যে ৩০০ জন পাস করেছে—পাসের হার ৬৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

এছাড়াও সদর উপজেলা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৬১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১২৪ জন, পাশের হার ৭৭.২ শতাংশ।‌ আসাদুজ্জামান স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩১ জনের মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে—পাসের হার ৪৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। তুলসিঘাট শামসুল হক ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০৬ জনের মধ্যে ৯৮ জন পাস করেছে, পাসের হার ৪৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ। তবে এই তিন প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, সামগ্রিকভাবে গাইবান্ধা সদরের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার আশাব্যঞ্জক হলেও কয়েকটি কলেজের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে আগামী বছর ফলাফল আরও উন্নত হবে।

২০২৫ শিক্ষাবর্ষের এইচএসসি পরীক্ষায় এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ১৬৪ জন জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে ৯ জন, জিপিএ ৪.০০ পেয়েছে ৫৭ জন এবং মোট পাশ করেছে ১৫৪ জন । পাশের হার ৯৩.৯০% । এই সাফল্যের মূলে রয়েছে শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিয়মিত পড়াশোনা, শিক্ষক মন্ডলীর নিবিড় পরিচর্যা, সঠিক দিক নির্দেশনা এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা । আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করি সারা বছর শিক্ষার্থীদের শতভাগ শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করার এবং শ্রেণি অভিক্ষা, বিষয় ভিত্তিক কুইজ পরীক্ষা, ব্যবহারিক ক্লাস, বিভিন্ন মডেল টেস্ট এবং মোটিভেশন ক্লাস এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হয় । অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা হয় ।

অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে তাদের বিশেষ যত্ন নেয়া হয় । জিপিএ ৫ বৃদ্ধির জন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক গভীর অনুশীলন আরও বাড়াতে হবে, রুটিন মাফিক পড়ালেখায় উদ্বুদ্ধকরণে অনুপ্রেরণা দিতে হবে এবং তাদের আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে ।

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com