বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে: জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী গঙ্গাচড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী রমজান আলীর দুর্নীতির পাহাড় : বরখাস্ত হলেও থামেনি তদন্ত স্ত্রীকে আনতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হাতে খুন হন শফিকুল বুলবুল ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ে,এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত: যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড হাতীবান্ধায় পুলিশের মোটরসাইকেলের ধা’ক্কায় বৃদ্ধা মহিলা নি’হত দুর্ঘটনায় ‎মেরুদণ্ড ভেঙে শয্যাশায়ী দিনমজুর ছালাউদ্দিন, চরম মানবিক সংকটে পরিবার বিকেলে ছুটির পর সন্ধ্যায় তালাবদ্ধ স্কুলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হলো শিশু গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি দিলো জামায়াতসহ ১১ দল
অডিট আপত্তি মেটাতে ঘুষ সংগ্রহ, অধ্যক্ষের নামে বিস্ফোরক অভিযোগ

অডিট আপত্তি মেটাতে ঘুষ সংগ্রহ, অধ্যক্ষের নামে বিস্ফোরক অভিযোগ

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার কাজী শাহাবুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অডিট আপত্তি এড়াতে শিক্ষা পরিদর্শকদের ঘুষ দেওয়ার নামে এই টাকা তোলা হয়। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি দুদকে লিখিত অভিযোগ করেছেন কলেজের প্রভাষক রাশেদ রাসেল।

জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক সোহেল রানা এবং শিক্ষা পরিদর্শক দিদারুল জামান প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনে নানা অসঙ্গতি চিহ্নিত হয়, যা অডিট আপত্তিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এই আশঙ্কায় পরিদর্শকদের ঘুষ দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ প্রতিটি শিক্ষকের কাছ থেকে ৩ হাজার এবং প্রতিটি কর্মচারীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে উত্তোলন করেন। পরে ঢাকায় ফিরে পরিদর্শকরা নাকি দুই লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা দিলে অডিটে কোনো আপত্তি দেখাবেন না বলে আশ্বাস দেন। বর্তমানে কলেজে ৩৪ জন শিক্ষক ও ১৪ জন কর্মচারী রয়েছেন।

এর আগে ২০১৮ সালেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে, যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শকদের উৎকোচ দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক অভিযোগে টাকা উত্তোলনের কিছু অডিও রেকর্ডও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রভাষক রাশেদ রাসেল বলেন, “অধ্যক্ষ কর্তৃক বিধি-বিধান লঙ্ঘন ও অপকর্মগুলো অডিট রিপোর্ট থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। শিক্ষক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হক অবশ্য শিক্ষক-কর্মচারীর কাছে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা পরিদর্শক মো. দিদারুল জামালের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ৩০ মিনিট পরে ফোন দিতে বলেন। তবে পরবর্তীতে একাধিকবার কল করলেও তিনি আর ফোন ধরেননি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com