বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে, সংবাদ সম্মেলন ‎ বার কাউন্সিল ভাইভা পরীক্ষায় শিবরাম স্কুলের প্রধান শিক্ষক লতা উত্তীর্ণ বারবার ফেলের তালিকায় আমি, তবুও বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইনজীবীদের অভিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এলোপাতাড়ি গুলিতে ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর’ আহত পঞ্চগড়ে ভাইরাল পকেটমার কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার, টাকা উদ্ধার ৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি চাঁদপুরে গ্যাস লিকেজের আগুন, পুড়ল পুলিশের গাড়ি ও অটোরিকশা ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ভারত থেকে এলো ১৬ টন চাল
স্যার না বলা নিয়েই বিতর্কে গাইবান্ধার এসিল্যান্ড!

স্যার না বলা নিয়েই বিতর্কে গাইবান্ধার এসিল্যান্ড!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বাবুর বিরুদ্ধে সরকারি মোবাইল নম্বরে ফোন করে “স্যার” না বলে “ভাই” সম্বোধন করায় অসৌজন্যমূলক আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৫ আগস্ট) দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে স্থানীয় সাংবাদিক বিপ্লব ইসলাম নিজের জমির খারিজ সংশোধন সংক্রান্ত তথ্য জানতে এসিল্যান্ডের অফিসিয়াল নম্বরে ফোন করেন। আলাপের শুরুতেই সাংবাদিক তাকে “ভাই” সম্বোধন করলে এসিল্যান্ড ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। কথা না শুনেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

বিপ্লব ইসলাম পরবর্তিতে আবারও ফোন দিলে এসিল্যান্ডকে কি বলে সম্মোধন করতে হবে, তা জেনে ফোন দেয়ার কথা বলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন রুক্ষ ও অভিমানী আচরণ জনসেবার মানসিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

খোলাহাটি ইউনিয়নের এক বাসিন্দা বলেন, “এসিল্যান্ড অফিসে সাধারণ মানুষ গেলেই তাকে স্যার বলতে হয়, না বললে কাজ আটকে যায়। এটা তো ঠিক নয়।”

স্থানীয় আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, “আইনে কোথাও বলা নেই যে সরকারি কর্মকর্তাকে স্যার বলতেই হবে। নাগরিক হিসেবে ভদ্রভাবে তথ্য বা সেবা চাওয়ার অধিকার প্রত্যেকের আছে। ‘ভাই’ বলা কোনো অপরাধ নয়।”

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমদ জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল পদে থাকা কর্মকর্তাদের আচরণে আরও সংবেদনশীল ও জনমুখী হওয়া উচিত। সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যেন অপমানিত না হন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

 

প্রবা/আরইসআর


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com