বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
‎পাটগ্রাম সীমান্তে গুলিতে নিহত গরু ব্যবসায়ীর লাশ নিয়ে গেছে ভারতীয় বিএসএফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকদের কর্মসূচি; বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে পরীক্ষা নিলেন ইউএনও দ্বিতীয় স্ত্রীর মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার নুরে আলম বেপারি জুলাই আদর্শিক জাগরণের প্রতীক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই শিখিয়েছে: জাহিদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে মাহিরুলে মুখোশ উম্মোচন! ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ১৬ কোটি টাকার টার্মিনালে মাদকাসক্তদের আড্ডাখানা লালমনিরহাটে ভোগদখলীয় জমি জবরদখল ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ (জকসু) নির্বাচনে রংপুর বিভাগের একমাত্র ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী লালমনিরহাটের আজিজুল হাকিম আকাশ গ্রেড উন্নীতকরণে রাজশাহীতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস অবস্থান ধর্মঘট
শিয়াল ধরার বৈদ্যুতিক ফাঁদে নিভে গেল স্কুলছাত্র আনন্দের প্রাণ

শিয়াল ধরার বৈদ্যুতিক ফাঁদে নিভে গেল স্কুলছাত্র আনন্দের প্রাণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার মাঝিপাড়া গ্রাম আজ শোকে স্তব্ধ। বই হাতে স্কুলে যাওয়ার বয়সে জীবনের শেষ যাত্রায় শুয়ে আছে আনন্দ কুমার (১৪)। বৃহস্পতিবার সকালে সবার মতোই হয়তো দিন শুরু হয়েছিল তার, কিন্তু কয়েকটি ডিম কুড়িয়ে আনতে গিয়ে অদৃশ্য মৃত্যুর ফাঁদে পা আটকে গেল তার। মুহূর্তেই নিভে গেল এক কিশোরের হাসিমাখা জীবন।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মালিবাড়ি মাঝিপাড়া গ্রামে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। নিহত আনন্দ কুমার ওই গ্রামের কাজল কুমারের ছেলে এবং স্থানীয় লেংগা বাজার বামা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়দের বরাতে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মর্তুজ আলী বেপারী জানান, মাঝিপাড়া গ্রামে তারা মিয়ার একটি মুরগির খামার রয়েছে। খামারে প্রায়ই শিয়াল এসে ডিম খেয়ে ফেলত। এ কারণে তিনি খামারের চারপাশে বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখেন।

সকাল বেলায় স্কুলে যাওয়ার আগে খামারের পাশের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল আনন্দ। খামারের নিচে কয়েকটি ডিম পড়ে থাকতে দেখে কৌতূহলভরে তা আনতে যায়। মুহূর্তেই বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় তার শরীর। সবাই ছুটে এলেও ততক্ষণে প্রাণহীন হয়ে পড়ে থাকে শিশু আনন্দের দেহ।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য মর্তুজ আলী বেপারী বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এমন এক নিষ্ঠুর ফাঁদে একজন স্কুলছাত্রের প্রাণ চলে যাবে—এটা কল্পনাও করা যায় না।”

গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সহপাঠীরা এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না, যে বন্ধু সকালে হাসিমুখে পাশ দিয়ে গেল, সে আর কখনও ফিরবে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com