রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টার: “আমরা আর কোনো তুহিনের লাশ দেখতে চাই না”—এই আহাজারি আর হুঁশিয়ারির সুরে কেঁপে উঠল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ।

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বললেন, সাংবাদিক হত্যা ও দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে দেশে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ভয়াবহভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বক্তারা বলেন, তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু গণমাধ্যম নয়—এটি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতারও নগ্ন প্রমাণ। দেশের নানা প্রান্তে সাংবাদিকরা আজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, আর সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। এটা চলতে পারে না, চলবে না।

তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, প্রতিদিন কোনো না কোনো সাংবাদিক হুমকি, হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হচ্ছেন। এই আইন কার্যকর হলে সাংবাদিকরা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং জনগণের অধিকার ও সত্য প্রকাশের পথ আরও সুগম হবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান বক্তারা।
সুন্দরগঞ্জ সম্মিলিত প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি শাহজাহান মিঞা এবং সঞ্চালনা করেন দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন বুলু।

এসময় বক্তব্য দেন দৈনিক ভোরের দর্পণ প্রতিনিধি একেএম শামসুল হক, দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি রেজাউল ইসলাম, দৈনিক জনকণ্ঠ প্রতিনিধি সুদীপ্ত শামীম, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, অগ্রযাত্রা প্রতিনিধি জয়ন্ত সাহা যতন, স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধি শাহিন মিয়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সমন্বয়ক নুর আলম মিয়া নুর প্রমুখ।
এসময় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষও মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
প্রবা/আরইসআর
Leave a Reply