কেফায়েত উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক:: লালমনিরহাটে কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে প্রায় সব পশুর হাটে সরগামন হয়েছে ক্রেতা বিক্রেতার। চাপারহাট,দুরাকুটি, বড়বাড়িসহ সকল পশুর হাটে ছোট বড় মাঝারি প্রায় সব ধারণের পশু উঠেছে। ক্রেতা তার পছন্দের পশুটি ক্রয় করছে।
লালমনিরহাটের বড়বাড়ির পশুর হাটটি কুগিগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটের সবচেয়ে বড় পশুর হাট। এই হাটটিতে কায়ের লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে।হাজারো মানুষ তার পছন্দের পশু ক্রয় বিক্রয়ে তাদের ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রাজধানীসহ সারাদেশের ভিভিন্ন জয়গা থেকে যে ক্রেতারা এসেছেন তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জাল টাকা যেন শনাক্ত করা যায় সে ক্ষেত্রে মেশিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খামারিরা পশুর হাটকে সামনে রেখে অনেকটা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তারা জানিয়েছেন গত কয়েক বছরের তুলনায় বাহির থেকে আসা ক্রেতাদের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ন্যায্য দামটা মিলছে না।গত বছরের তুলনায় গো খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পাচ্ছে না তারা প্রাপ্য মূল্য।
দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও ক্রেতারা জানায়, গত কত বছরের তুলনায় এবার তুলনামূলক দাম বেশি।দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সরগারম হয়ে উঠেছে গবাদি পশুর হাট। ১৫ স্থায়ী ও ৭ টি অস্থায়ী হাট রয়েছে বিশেষ করে লালমনিরহাটের, সেই হাটগুলোতে সময়ের সাথে অনেকটা ভিড় লক্ষ করা যায়।এছাড়াও এ হাটে যে পরিমাণ ক্রেতা বিক্রেতার জনসমাগম হয়েছে সে ক্ষেত্রে অনেকটা নিরাপত্তা যেভাবে জোরদার করা হয়েছে সেটি আরো জোরদার করার দাবি তুলেছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।
গতকাল লালমনিরহাট পশু অধিদপ্তরের সাথে কথা হলে তিনি বলেছে বাজারে যে পশুগুলো উঠেছে সেই পশুগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ মেডিকেল টিম রাখা হবে। তবে বাস্তবতায় মেডিকেল টিমের দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ আমরা দেখতে পারিনি। যা নিয়ে ক্রেতা – বিক্রেতা অনেকটা হতাশা প্রকাশ করছে।
Leave a Reply