বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড লালমনিরহাটে বিপ্লবী সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি ঘোষণাঃ নেতৃত্বে আরিফ ও রাবেয়া হামে শিশুর মৃত্যু : ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন পঞ্চগড়ে ওয়ার্ড বিএনপির দুই নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ৯০০ পিস ইয়াবাসহ আর্জেন্টিনা সমর্থক তরুণ গ্রেপ্তার সুন্দরগঞ্জে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি, নেতৃত্বে জিকো-আশানুর-আজিজুর পঞ্চগড়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে এক ব্যক্তি আটক অভিযানের নামে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দুই পুলিশ কারাগারে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ শিশুর তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করব : মির্জা ফখরুল
কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুমিল্লা প্রতিনিধি।। কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর এলাকার মোগলটুলি এলাকায় ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী যুবক কাজী মোজাম্মেল হক রিফাতকে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর প্রকাশ্যে মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করতেন। তার মা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী এবং বাবা পেশায় রংমিস্ত্রি।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট, প্রতিদিনের মতো কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে গেলে, একই এলাকার বাসিন্দা কে এম স্বপনের ছেলে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তার জবানবন্দির পর, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরপরই, পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ তদন্তের পর, ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। অবশেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com