বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে ১জন চোরাকারবারি সহ ভারতীয় গরু আটক বসুন্ধরা শুভসংঘের লালমনিরহাট জেলা সহসভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী রাশেদ ব্যারিস্টার ফুয়াদের নির্বাচনী প্রচারণায় যুবদলের বাধা, জামায়াতের বিক্ষোভ চট্টগ্রামে তারেক রহমান; কাল চার জেলায় ৬ জনসভা আ. লীগের নিরপরাধ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারবেন: হান্নান মাসউদ লালমনিরহাট‎ ‎-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় আসলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করা হবে: জামায়াত আমির জামায়াতের অপপ্রচারের প্রতিবাদে দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন দেশবাসীকে ফেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চরম দুঃসময়েও কোনো দেশে পালায়নি উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান
সুন্দরগঞ্জে খালের ওপর কঙ্কাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ব্রিজ, নেই রাস্তা!

সুন্দরগঞ্জে খালের ওপর কঙ্কাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ব্রিজ, নেই রাস্তা!

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ঘগোয়া খালের ওপর নির্মিত একটি সেতু ছয় মাস ধরে ‘অকেজো কঙ্কাল’ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না, উল্টো ভোগান্তি বাড়িয়েছে এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দু’পাশে গভীর গর্ত পড়ে আছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার ও এলাকাবাসী মিলে বাঁশের সাঁকো বসিয়ে সেতুর সঙ্গে অস্থায়ী সংযোগ দিয়েছেন। সেই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার বই-খাতা পানিতে ফেলে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। যানবাহন তো দূরের কথা, রোগী পরিবহনের মতো জরুরি সেবাও এখন অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকটি স্কুল, মাদরাসা ও বাজারে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল এই সেতু। কিন্তু সেতু নির্মাণ শেষে সংযোগ সড়ক না দেওয়ায় তা এখন ‘প্রতীকি ব্রিজে’ পরিণত হয়েছে।

ব্রিজপাড়ের বাসিন্দা সুজন অভিযোগ করে বলেন, “নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ব্রিজের কাজ করা হয়েছে। আসলেই সিডিউল অনুযায়ী মাপ হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে।”

ইউপি সদস্য মজনু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঠিকাদারকে বারবার অনুরোধ করা হলেও কোনো কাজ হয়নি।”

ঠিকাদার নুর মওলা মোবাইল ফোনে দাবি করেছেন, শিগগিরই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হবে। তবে প্রকল্পের বরাদ্দ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, “সেতুর কাজ শেষ হয়েছে পাঁচ-ছয় মাস আগে। কিন্তু ঠিকাদার চলে যাওয়ার পর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে মানুষ পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে একাধিক দিন চেষ্টা করেও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বা কর্মকর্তাদের পাওয়া যায়নি। ফোনেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস এ বিষয়ে বলেন, “এখন বিষয়টি জানতে পারলাম। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com