বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে সুমন হত্যার প্রতিবা’দে ফুঁস’ছে এলাকাবাসী, খু’নিদের ফাঁ’সির দাবিতে মানববন্ধন ‎ পঞ্চগড়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্য আটক, দেশীয় অস্ত্র ও মাইক্রোবাস জব্দ থোকায় থোকায় ইউক্রেন জাতের আঙুরে বদলে গেছে গাজীপুরের চিত্র পাম্পে পাম্পে হাহাকার, তেলের জন্য দিতে হচ্ছে অগ্নিপরীক্ষা হামের চতুর্মুখী প্রাদুর্ভাব, দায়ী স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা সারা দেশে চাঁদাবাজ গডফাদার ৬৫০, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা; জনমনে ক্ষোভ যুদ্ধের প্রভাব: প্রবৃদ্ধি কমছে, মূল্যস্ফীতিতে চাপে বাংলাদেশ গাইবান্ধায় পরিবার রাজি না হওয়ায় বিষপানে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক হাসপাতালে পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও রায় অমান্যের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন চরফ্যাশনে সিঁড়ির রেলিংয়ে আটকে পড়া শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস
হবিগঞ্জে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ত্যাগী কর্মীদের ক্ষোভ: জুতা-ঝাড়ু মিছিল

হবিগঞ্জে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ত্যাগী কর্মীদের ক্ষোভ: জুতা-ঝাড়ু মিছিল

অনলাইন ডেস্ক::হবিগঞ্জের বাহুবলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সদ্য ঘোষিত উপজেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ত্যাগী ও দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষোভের প্রকাশ ঘটেছে জুতা ও ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে। স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের বাদ দিয়ে সুবিধাভোগী, বসন্তের কোকিল ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আতাউর রহমান এবং জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি বাহুবল মডেল থানার সামনের সড়ক থেকে শুরু হয়। মিছিলটি বাহুবল বাজার প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ ঘুরে মাদ্রাসা মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় তারা জুতা ও ঝাড়ু হাতে মিছিল করে প্রকাশ্যে ঘোষিত কমিটির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

বিক্ষোভ-পরবর্তী পথসভায় বক্তারা বলেন, ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের জুলুম-নিপীড়ন, মামলা ও হামলার শিকার হলেও প্রকৃত কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘোষিত উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ‘পকেট কমিটি’ছাড়া কিছুই নয়। অনেকেই পদ-পদবি পেয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের দোসর ও মৌসুমী নেতাদের তোষামোদি করে। ত্যাগী নেতাকর্মীরা বারবার কারাভোগ করেছেন, মামলার হয়রানি সহ্য করেছেন, আন্দোলনের মাঠে প্রাণ দিয়েছেন; অথচ কমিটিতে তাদের কোনো স্থান হয়নি।


নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করেছে। তখন থেকেই দলীয় পদ বাণিজ্য, ক্ষমতার লোভ ও দলে বসন্তের কোকিলদের অনুপ্রবেশ বেড়ে গেছে।

বক্তারা জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের নিয়ে নতুন করে কমিটি গঠন করতে হবে। অন্যথায় তৃণমূল কর্মীরা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

তারা আরও বলেন, পকেট কমিটি দিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল করা হচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়ছেন।

মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপি যখন আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের মুখে কঠিন সংগ্রাম করেছে, তখন তারা রাজপথে থেকেছেন। মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেপ্তার ও কারাভোগ সহ্য করেছেন। অথচ আজ কমিটি করার সময় সেই নিবেদিতপ্রাণদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা আন্দোলনের মাঠে কখনো ছিলেন না, বরং আওয়ামী লীগের ছায়াতলে সুবিধা নিয়েছেন, তারাই এখন বিএনপির নেতৃত্বের আসনে বসেছেন। এতে দলের প্রকৃত সৈনিকরা মারাত্মকভাবে হতাশ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com