অনলাইন ডেস্ক: ইরানের তেল বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে গতকাল রাতভর বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিটার হেগসেথের ইরানে হামলা জোরদারের হুমকির মধ্যেই এ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর আল জাজিরার

ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করা ও সিএনএনের ভৌগোলিকভাবে শনাক্ত করা এক ভিডিওতে দেখা গেছে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলায় বিমানবন্দর ও রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পারস্য উপসাগরের ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের ‘অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড’ এবং জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত।

তেলের অভয়ারণ্য খ্যাত ভূখণ্ডটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য যতখানি তাৎপর্য বহন করে তার চেয়ে বেশি জরুরি বিশ্ব তেল বাজারের জন্য। ইরানের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়।
দেশটির অর্থনীতির ‘হৃৎপিণ্ড’ বা ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত এ ভূখণ্ডেই রয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রধান বন্দর ও সবচেয়ে বড় নৌপথ যেটি মূলত তেল ও গ্যাস পরিবহণের জন্য ব্যবহার হয়।

মার্কিন বাহিনী যদি খার্গ দ্বীপে ইরানের জ্বালানি তেল অবকাঠামো এবং স্থাপনাগুলোতে হামলা করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় সব মার্কিন তেল কোম্পানি এবং সেসবের সঙ্গে সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোকে ‘ছাইয়ের স্তূপে’ পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামির রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)
Leave a Reply