বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অ’ভিযান, পদ্মকলি সুইটসসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ পিআইও অফিস যেন অনিয়ম ও ঘুষের আখড়া জিপিএ-৫ পেলেই সফল হওয়া যায় না, আগে ভালো মানুষ হতে হবে’—প্রতিমন্ত্রী আজাদ সার ডিলারদের নিয়ে গুজব ছড়ানোর সুযোগ নেই: পঞ্চগড়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালিয়াকৈরের মৌচাকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি, ও মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর গণ সমাবেশ। ‘ফেল করিয়ে দেওয়ার’ হুমকির পর অকৃতকার্য, উত্তরপত্র পাল্টানোর অভিযোগ ঘুমধুম সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, উপজেলা বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, রাজশাহীর রাজপাড়া থানা বিএনপির কার্যক্রম স্থগিত আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনে যুবদল নেতৃবৃন্দের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
দুদকের কাঠগড়ায় দুদকেরই সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল ইকবাল মাহমুদ

দুদকের কাঠগড়ায় দুদকেরই সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল ইকবাল মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক::এবার ঘুষ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রের দুর্নীতিবিরোধী এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক কোনো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ও অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।

ইকবাল মাহমুদ কর্মজীবনে চৌকস আমলা ছিলেন। তিনি একাধিক মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। সিনিয়র সচিব হিসেবে তিনি চাকরিজীবনের ইতি টেনেছিলেন। পরে ২০১৬ সালের মার্চে তৎকালীন সরকার তাঁকে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুদকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়। দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন। দুর্নীতির মামলার কয়েকশ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। সেই সময়কার চেয়ারম্যান এখন নিজেই দুদকের কাঠগড়ায়।

সূত্র জানায়, ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বাধীন ওই সময়ের কমিশনের দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান ও মো. জহুরুল হকের বিরুদ্ধেও ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি ফ্ল্যাট ক্রয়ের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান।

এরই মধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জমা পড়ে দুদকে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হয়। স্বাস্থ্য খাতের মাফিয়াখ্যাত মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু দুদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। দুদকের রিমান্ড শেষে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দুর্নীতি-সংক্রান্ত কিছু কাজে ইকবাল মাহমুদের সহায়তা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

এই বিষয়টিও দুদক আমলে নিয়েছে। এক পর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে কমিশনের মানি লন্ডারিং শাখা থেকে। আজ-কালের মধ্যে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।

জানা গেছে, ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই সাদিক মাহমুদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com