বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
‎পাটগ্রাম সীমান্তে গুলিতে নিহত গরু ব্যবসায়ীর লাশ নিয়ে গেছে ভারতীয় বিএসএফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকদের কর্মসূচি; বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে পরীক্ষা নিলেন ইউএনও দ্বিতীয় স্ত্রীর মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার নুরে আলম বেপারি জুলাই আদর্শিক জাগরণের প্রতীক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই শিখিয়েছে: জাহিদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে মাহিরুলে মুখোশ উম্মোচন! ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট ১৬ কোটি টাকার টার্মিনালে মাদকাসক্তদের আড্ডাখানা লালমনিরহাটে ভোগদখলীয় জমি জবরদখল ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ (জকসু) নির্বাচনে রংপুর বিভাগের একমাত্র ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী লালমনিরহাটের আজিজুল হাকিম আকাশ গ্রেড উন্নীতকরণে রাজশাহীতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস অবস্থান ধর্মঘট
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন

লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন

রাসেল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লালমনিরহাট পৌরসভার তিনদিঘী এলাকায় আলোচিত আব্দুল জলিল হত্যা মামলায় স্ত্রী মমিনা বেগম ও তার পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আনোয়ার হোসেন মিঠু।

দন্ডপ্রাপ্ত মমিনা বেগম (২৭) সদর উপজেলার মাঝাপাড়া এলাকার রহমত আলী মোল্লার মেয়ে। তার প্রেমিক গোলাম রব্বানী সদর উপজেলার কিসমত ঢঢগাছ এলাকার রমজান মুন্সির ছেলে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, ২০২১ সালের ২১ জুলাই রাতে পরকীয়ার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পরিকল্পনা করে জলিলকে হত্যা করা হয়। প্রথমে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়, পরে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মাহমুদুন নবী আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ২৭ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি আনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, চার বছরের শুনানি শেষে প্রমাণিত হয়েছে জলিলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। তাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় দিয়েছেন।


রায় ঘোষণার পর নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ বলেন, আসামিদের ফাঁসি হলে আমাদের মনটা আরও শান্ত হতো। তারা পরিকল্পিতভাবেই আমার ভাইকে হত্যা করেছে, এবং আমরা আদালতে সেটি প্রমাণ করতে পেরেছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com