বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
নামাজ পড়তে চাইলে ভারতে থাকা চলবে না, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে যান: বিজেপি মন্ত্রী পঞ্চগড়ে জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জন করিয়ে মানববন্ধনের অভিযোগ মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশিক্ষণের নামে বিদেশে পলাতক, কাস্টমস কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান বরখাস্ত পঞ্চগড়ে মামলার হাজিরা দিতে এসে আদালতের বেঞ্চে আসামির মৃত্যু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে লালমনিরহাটে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা আ.লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ অভিযোগ দেওয়ায় থানার সামনেই অভিযোগকারীর ওপর হামলা, আটক ৩ এবার গাইবান্ধায় কিশোর হত্যার জেরে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর দ্বিতীয় বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক, কালিয়াকৈরের কাজী অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে শার্শার কৃষকের ছেলে বিসিএস ক্যাডার

দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে শার্শার কৃষকের ছেলে বিসিএস ক্যাডার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দারিদ্র্যের প্রতিদিনের লড়াই, সমাজের নানা তির্যক কথা আর চারপাশের নিরুৎসাহ সব পেরিয়ে এক সাধারন কৃষক পরিবারের ছেলে আজ বিসিএস ক্যাডার। শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী রুদ্রপুর গ্রামের শামীম রেজা ৪৯তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডার হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন এলাকায়।

রিকশাচালকের মেয়ে বিসিএস ক্যাডার, দিনমজুরের ছেলে প্রশাসনে এমন গল্প আমরা প্রায়ই শুনি; কিন্তু যে সংগ্রাম, যে ঘাম-রক্তের পথ পেরিয়ে তারা উঠে আসে, তা বোঝে না অনেকেই। শামীম রেজার সাফল্যও যেন সেই অনুলিখিত গল্পগুলোরই আরেক অধ্যায়।

রুদ্রপুর গ্রামের কৃষক শাহাবুদ্দীন সরদার ও গৃহিণী শাহানাজ খাতুন দম্পতির বড় ছেলে শামীম। তিন ভাইবোনের বড় হওয়া এই তরুণের সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে তার বাবা-মায়ের হাজারো না বলা ত্যাগ। দারিদ্র্য ছিলো নিত্যসঙ্গী। তবুও কখনো হতাশ হননি শাহানাজ–শাহাবুদ্দীন দম্পতি। প্রতিবেশীরা বলেছিল ছেলেকে কাজে দাও, সংসার চলবে। কিন্তু মা শাহানাজ নীরব থেকে প্রতিদিন সঞ্চয় করেছেন শক্তি; নিজের দীর্ঘশ্বাস চেপে ধরে ছেলের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।

শামীম গোগা ইউনাইটেড আদর্শ কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ। তার হাত ধরেই প্রথমবারের মতো গোগা কলেজ পেলো বিসিএস ক্যাডারের গৌরব।

তার বাড়িতে গেলে এখন শুধুই উচ্ছ্বাসের স্রোত। বাবা পায়চারি করেন, মা শাহানাজ খাতুন চোখ ভরা আনন্দে গল্প করেন কিভাবে প্রতিকূলতার দেয়াল ভেঙে এগিয়েছেন তারা। ছেলেকে লক্ষ্য ঠিক করে দিতে পেরেছি এই সুখের দাম নেই, বললেন তিনি।


নিজ সাফল্যে বিনয়ী শামীম বলেন, বাবা-মা, পরিবার আর শিক্ষকদের অবদানের ঋণ শোধ করার মতো না। চাকরিতে যোগ দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই হবে আমার প্রথম দায়িত্ব।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com