বিজ্ঞাপন:
 
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশনে ভেসে আসা জাহাজ নিয়ে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মামলা, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ‎ ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসতেই উধাও ২০ কার্টন খেজুর লালমনিরহাটে বিয়ের অঙ্গীকার করে অস্বীকা : সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী বিবিসি বাংলাকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মাহদীর লিগ্যাল নোটিস জামায়াত নেতার ড্রয়িংরুমে মিলল মিনি পেট্রোল পাম্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হাদির সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয় চরফ্যাশনে ২৮৮ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড,‎ দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি প্রাথমিক বৃত্তিতে ৮০–২০% কোটা: মেধার স্বীকৃতি নাকি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বৈষম্যের সূচনা? ‎কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ: পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন
মহেশপুরে সিজারের সময় নারীর মূত্রথলি কাটলেন ভুয়া চিকিৎসক

মহেশপুরে সিজারের সময় নারীর মূত্রথলি কাটলেন ভুয়া চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক::ঝিনাইদহের মহেশপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় এক নারীর মূত্রথলি ও ভুঁড়ি কেটে ফেলার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভুয়া চিকিৎসকের হাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে রোগী স্বপ্না খাতুন (২৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোরের একটি হাসপাতালে আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার ঘুঘরি বাজারের আল আরাফাহ নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। পরিবার অভিযোগ করেছে, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অপারেশনের সময় ভুয়া চিকিৎসক ব্যবহার করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্বপ্নার ভাই মনসুর হোসেন মিয়াজি বলেন, ‘আমার বোনকে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে সিজার করানো হয়েছে। অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার অবস্থা খারাপ হয়। এখন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টও দিচ্ছে না, উল্টো হুমকি দিচ্ছে।’

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ক্লিনিকটির মালিক কাজল ভুঁইয়া প্রভাব খাটিয়ে অনুমোদন ছাড়াই সিজার করাচ্ছেন। এর আগেও এখানে ভুল চিকিৎসায় বহু রোগীর ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে কাজল ভুঁইয়া বলেন, ‘দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বেশি মাথা ঘামাবেন না।’ তবে তিনি যে চিকিৎসকের নাম দিয়েছেন—সোহেল রানা, কোটচাঁদপুর হাসপাতালের ডাক্তার বলে দাবি করেছেন—খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই নামে ওই হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্লিনিকের অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ, ভেতরে কেবল দুজন নার্স অবস্থান করছিলেন। তারা বলেন, ‘আমরা কিছু বলতে পারব না। কথা বললে চাকরি থাকবে না।’

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা অমানবিক। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে খোঁজ নিতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com