বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
বুড়িচংয়ে হত্যা মামলা তুলে নিতে নারী ও তাঁর স্বামীকে হত্যার হুমকি কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্বার,গ্রেপ্তার-১ সিআইডির জ্যাকেট-ওয়াকিটকি নিয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী হাতীবান্ধায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রে’প্তার, কারসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার স্বরাষ্ট্র ছাড়লেন সালাহউদ্দিন, দায়িত্ব পেলেন এলজিআরডির দুপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে পালাল কিশোরী খাগড়াছড়িতে ২৪টি গুইসাপসহ নারী আটক বাবার সঙ্গে গোসলে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুর মৃত্যু সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, থামালেন এসিল্যান্ড
৭ মাসে কুরআনের হাফেজ হলেন আপন ২ ভাই

৭ মাসে কুরআনের হাফেজ হলেন আপন ২ ভাই

নিউজ ডেস্ক:: মাত্র সাত মাসে কুরআনের হাফেজ হয়েছেন ইতালির নাগরিক দুই ভাই। তারা বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়েছেন এবং পেয়েছেন হাফেজ মর্যাদার পাগড়ি। তাদের বাবা চান, দুই ছেলেকে মিশরে পাঠিয়ে মাওলানা বানাতে।

পরিবার জানায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আলমদস্তা এলাকার জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম রাজৈর মাদ্রাসা থেকে মাত্র সাত মাসে কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করেছেন আব্দুর রহমান হাওলাদার (১৫) ও আব্দুর রহিম হাওলাদার (১৩)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জোহরের নামাজের পর মাদ্রাসার মসজিদে তাদের পাগড়ি পরিয়ে দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মুফতী রেজাউল ইসলাম। এ সময় গলায় ফুলের মালা পরিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন তাদের বাবা মামুন হাওলাদারসহ স্থানীয় আলেমরা। আব্দুর রহমান ও আব্দুর রহিম দুজনেই মাদারীপুর সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া গ্রামের বাসিন্দা মামুন হাওলাদারের ছেলে। তারা জন্মসূত্রে ইতালির নাগরিক।

মাদ্রাসা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, মামুন হাওলাদার ২৩ বছর ধরে ইতালিতে কাজ করছেন। স্ত্রী তানিয়াকেও নিয়ে যান সেখানে। এরপর তাদের দুই ছেলের জন্ম হয়। তবে মাদ্রাসা না থাকায় ইতালিতে ছেলেদের ইসলামী শিক্ষার সুযোগ পাননি। এজন্য ছেলেদের নিয়ে দেশে ফিরে মাদারীপুরের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম মাদ্রাসায় ভর্তি করান। মাত্র সাত মাসেই দুই ভাই পুরো কুরআন মুখস্থ করে হাফেজ হন।

প্রবাসী বাবা মামুন হাওলাদার বলেন, আমার দুই ছেলে জন্মসূত্রে ইতালির নাগরিক। আমরা সপরিবারে ইতালিতে থাকি। কিন্তু আমি চেয়েছি, ওরা মাওলানা হোক। এজন্য দেশে এনে মাদ্রাসায় ভর্তি করাই। আজ তারা হাফেজ হয়েছে আমি খুব খুশি। শিগগিরই আবার ওদের ইতালি নিয়ে যাবো। পরে মিশরে মাওলানা পড়তে পাঠাবো। আমার স্বপ্ন-ওরা বড় মাওলানা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com