বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে ‘Clean & Green Monday’ কর্মসূচির উদ্বোধন অভাবের সংসারে জমজ সন্তানের জন্ম, দুধ কেনার টাকা নেই দিনমজুর বাবার! লালমনিরহাটে তুহিনকে ঘিরে মা’দক কারবারের অভিযোগ! জনমনে উঠেছে নানান প্রশ্ন টাঙ্গাইল থেকে লালমনিরহাটে ছুটে এলেন মানবিক সোহেল: বদলে গেল আব্দুল আওয়ালের জীবন লালমনিরহাটে সারের দাবিতে রংপুর-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ফুটফুটে জমজ দুই ছেলের মুখে অন্ন তুলে দিতে অসহায় পিতা লালমনিরহাট সীমান্তে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইক আটক গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২,আহত ৩ জন। ১০৮ বছরে সাদুল্লাপুর বহুমুখী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, এবার কি জাতীয়করণের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হবে? কালিয়াকৈরের বাড়ইপাড়া শাখা শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন।
অভাবের সংসারে জমজ সন্তানের জন্ম, দুধ কেনার টাকা নেই দিনমজুর বাবার!

অভাবের সংসারে জমজ সন্তানের জন্ম, দুধ কেনার টাকা নেই দিনমজুর বাবার!

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি :: সংসারে তীব্র অভাব-অনটন। নুন আনতে পান্তা ফুরায় দশা। এর মধ্যেই ঘরে এসেছে দুই যমজ সন্তান। কিন্তু আনন্দের চেয়ে এখন চরম উদ্বেগ ও বিষাদ নেমে এসেছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার এক দরিদ্র দিনমজুরের পরিবারে। অভাবের তাড়নায় তিন মাস বয়সী যমজ দুই ছেলের জন্য দুধ ও পুষ্টিকর খাদ্য তো দূরের কথা, প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই অসহায় বাবার। অর্থাভাবে সঠিক পুষ্টি না পেয়ে শিশু দুটির স্বাস্থ্য এখন চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।


অসহায় এই পরিবারটির বাস লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পূর্ব ভেলাবাড়ী গ্রামে। গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর কৃষ্ণ কান্ত রায়। ভিটেমাটি বলতে কিছুই নেই তাদের। সরকারি খাস জমিতে কোনো রকমে ঝুপড়ি ঘর তুলে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণ কান্ত রায়ের পরিবারে এখন সদস্য সংখ্যা সাতজন। তার বড় মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে। দ্বিতীয় মেয়ের বয়স মাত্র ৪ বছর। আর সবশেষ তিন মাস আগে তাদের ঘরে জন্ম নেয় ফুটফুটে দুটি যমজ পুত্রসন্তান। দিনমজুরির সামান্য আয়ে যেখানে সাতজনের দু’বেলা ভাত জুটানোই অসম্ভব, সেখানে যমজ দুই শিশুর বাড়তি গুঁড়ো দুধ, চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাদ্যের খরচ জোগাতে গিয়ে পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই বাবা।


সরেজমিনে দেখা যায়, সঠিক পুষ্টি ও খাদ্যের অভাবে যমজ শিশু দুটি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। অর্থাভাবে তাদের চিকিৎসাও করানো সম্ভব হচ্ছে না। শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়ে চোখের জল ফেলছেন মা-বাবা।

অসহায় বাবা কৃষ্ণ কান্ত রায় আকুতি জানিয়ে বলেন, “দিনমজুরি করে যা পাই, তা দিয়ে চাল কিনতেই টাকা শেষ হয়ে যায়। বাচ্চাদের মুখে এক ফোঁটা দুধ তুলে দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমার নেই। চোখের সামনে সন্তান দুটি পুষ্টিহীনতায় কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু বাবা হয়ে আমি কিছুই করতে পারছি না।

বর্তমানে শিশুদের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি। আপনার সামান্য সাহায্যই পারে দুটি ফুটফুটে শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের জীবন বাঁচাতে।


(সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিতকরণে ভুক্তভোগী পরিবারের ভিডিও বক্তব্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) প্রতিবেদকের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে।)

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:

বিকাশ (পার্সোনাল) ও মোবাইল নম্বর: 01877194376 (কৃষ্ণ কান্ত রায়)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com