কেফায়েত উল্লাহ,নিজস্ব প্রতিবেদক::উত্তর জনপদে বাড়ছে শীতের তীব্রতা।জেলার প্রকৃতি মুড়ে আছে ঘন কুয়াশার চাদরে। ঘন কুয়াশা আর হিম বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেখা গেছে, আজ সকাল ১২ টা পার হয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। তীব্র ঠান্ডার কারণে অনেকেই সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না।
শহরের মোড়ে মোড়ে এবং গ্রামের রাস্তাগুলোতে ছিন্নমূল ও সাধারণ মানুষকে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে শিশু ও বৃদ্ধদের।

হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অনেক শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা এবং রবি শস্যের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এদিকে গবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে পশুদের চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। আজ তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘরে থাকলেও বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হওয়ায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি মনে হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন কুয়াশার দাপট একই রকম থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply