বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক গায়েব জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ এমন সরকার চায়নি: মাহমুদা মিতু মুরগির খামারে শিয়ালের উপদ্রব ঠেকাতে পাতা বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে প্রাণ হারালেন খামারি পঞ্চগড়ে পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু পঞ্চগড়ে ৫০ ফুট উঁচু গাছে আটকে পড়া ব্যক্তিকে ২ ঘণ্টা পর উদ্ধার গাজীপুরের কাশিমপুরে সাংবাদিক কে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা। লালমনিরহাটে ১২ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক কারাগারে এবার মোদি সরকারের পতনের ডাক স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক, মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হাতুড়িপেটা ছাত্রদল-যুবদল নেতাদের
মৃত্যু নিয়ে কাটছে না ধোঁয়াশা, ধ্রুবব্রতকে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন ছিল মায়ের

মৃত্যু নিয়ে কাটছে না ধোঁয়াশা, ধ্রুবব্রতকে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন ছিল মায়ের

জাভেদ হোসেন, গাইবান্ধা:: ‘আমার ছেলে ছোট থেকেই মেধাবী, নম্র, ভদ্র স্বভাবের। প্রত্যেক শ্রেণির পরীক্ষায় প্রথম হতো। কোনোদিন কিছু নিয়ে আমার সঙ্গে জেদ করেনি। লেখাপড়ার প্রতি ছিল তার খুবই মনোযোগ। স্বপ্ন ছিল ছেলেকে ডাক্তার বানাব। কল্পনাও করতে পারছি না। আমার ছেলেটা এভাবে মারা যাবে। সে পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে গিয়ে লাশ হয়ে ঘরে ফিরবে।’ ছেলেকে হারিয়ে এভাবেই বিলাপ করছিলেন ধ্রুবব্রত দাসের মা তমা রানী সিং।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে গাইবান্ধা পৌরশহরের মধ্যপাড়ায় ধ্রুবব্রতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা থেকে তার মরদেহ আনা হয়েছে। ছেলের শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন মা। ধ্রুবকে শেষবারের মতো দেখতে ভীড় করেছেন আত্মীয়-স্বজনসহ প্রতিবেশীরা। সহপাঠীরা ধ্রুবর স্মৃতি হাতড়ে কান্নাকাটি করছেন।

ধ্রুবর মা বলেন, ‘গাইবান্ধা সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে এ প্লাস নিয়ে পাস করে ধ্রুব। ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ করতে আমরা ঢাকা গিয়েছি। সেখানে নটরডেম কলেজে ভর্তি করেছি। বিদ্যালয়ে বরাবরই ভালো রেজাল্ট করতো সে। এবার ওই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সোমবার (১২ মে) বাবার সঙ্গে টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্টের কার্ড আনতে গিয়ে লাশ হলো। আমার ছেলে ভবন থেকে পড়ে গেছে না কি পরিকল্পনা করে ফেলে দেওয়া হয়েছে, সেটি অজানা।

গাইবান্ধা শহরের মধ্যপাড়ার বাণীব্রত দাস চঞ্চলের ছেলে ধ্রুবব্রত দাস সোমবার বিকেল ৩টার দিকে মতিঝিলে নটরডেম কলেজের ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ধ্রুবব্রত দাসের মেসো (খালু) সঞ্জিত রায় মুক্তি বলেন, ‘ধ্রুবকে তার বাবা কলেজে নিয়ে যেতেন, ক্লাস শেষে আবার নিয়ে আসতেন। অন্য ছেলেদের থেকে সে আলাদা। পড়ালেখা ছাড়া অন্যকিছু সে করতো না। তার মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com