বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দিনে দিনে নৃশংস হয়ে উঠছে কোমলমতি শিশুদের স্বস্তির পৃথিবী চার বছর প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ের আসরে যুবকের বিষপান ঝিনাইদহে থানায় ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টায় বিজিবির বাধা পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টায় বিজিবি’র বাঁধা রামিসা হত্যা: আসামির পক্ষে না দাঁড়ানোর ঘোষণা আইনজীবীদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব, নিম্ন-মধ্যবিত্তের পকেট কাটার ফন্দি সংকটে ভুগছে দেশের সব জেলখানা, বন্দিদের মুখে অপুষ্টিজনিত ক্লান্তির ছাপ রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস অপুষ্ট শিশুদের অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে না হামের টিকায়
দিনে দিনে নৃশংস হয়ে উঠছে কোমলমতি শিশুদের স্বস্তির পৃথিবী

দিনে দিনে নৃশংস হয়ে উঠছে কোমলমতি শিশুদের স্বস্তির পৃথিবী

তাহমিনা আক্তার,ঢাকা: সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার। পৃথিবীর কোনো স্বার্থ কিংবা দ্বন্দ্বে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। অথচ সেই শিশুকেই নির্মমতার শিকার হতে হয়েছে। রাজধানীর পল্লবীতে তাকে টয়লেটে নিয়ে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) অভিযুক্ত করা হয়েছে। গত ১৯ মে সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডেও ঘটেছে আরেকটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে এক শিশুকে হত্যার চেষ্টা করে তার প্রতিবেশী বাবু শেখ। গলা কেটে শিশুটিকে পাহাড়ের খাদে ফেলে রেখে যায় সে। গত ১ মার্চ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও পরদিন দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীর বাড্ডায় তিন বছরের শিশু হাবিবকে হত্যা করেন তারই বাবা। মাদক কেনার টাকা না পেয়ে স্ত্রী শিল্পী খাতুনের সামনেই সন্তানকে গলা টিপে হত্যা করেন শাহিন মিয়া। গত ২৭ এপ্রিল ঘটে এই ঘটনা। একই দিনে গাজীপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহে আরও পাঁচ শিশুকে গলা কেটে ও পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ ওঠে।

শিশু রামিসা, ইরা কিংবা হাবিবের ঘটনাই শুধু নয়—মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১৬ মাসে অন্তত ৫২২ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে। গড়ে প্রতি মাসে ৩২ জনের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। একই সময়ে ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১ হাজার ২২৩ শিশু। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৭৬ জনের বেশি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মাদকের বিস্তার, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়, সাইবার জগতের প্রতি নিয়ন্ত্রণহীন আসক্তি এবং পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে শিশুরা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতাও পরিবারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ ও প্রতিহিংসার কাছে নৃশংস হয়ে উঠছে কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ পৃথিবী। কখনো প্রতিশোধ, কখনো অপরাধ আড়াল কিংবা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে আপনজনই শিশুদের ঘাতকে পরিণত হচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, সামাজিক অনুশাসনের অভাব, মাদকাসক্তি, অনৈতিক সম্পর্ক, সহনশীলতার সংকট, দ্রুত বিত্তশালী হওয়ার প্রবণতা, নিঃসঙ্গতা ও আত্মকেন্দ্রিক জীবনযাপন—এসব কারণও শিশু নির্যাতন ও হত্যার পেছনে ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি পারিবারিক অসচ্ছলতা ও সদস্যদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ ধরনের অপরাধ কমাতে পরিবার ও সমাজ—উভয়কেই আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।
এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, বর্তমানে মেয়ে সন্তান নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে সন্তানকে একা কোথাও পাঠানো যায় না। সবসময় নজরে রাখতে হয়, কারণ এখন কাউকেই সহজে বিশ্বাস করা যায় না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, অপরাধীরা সাধারণত দুর্বলদের লক্ষ্যবস্তু বানায়। শিশুরা অসহায় হওয়ায় লোভ ও স্বার্থের কারণে তাদের হত্যা করা হয়। আগে মুক্তিপণ আদায়, প্রতিশোধ কিংবা ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশু হত্যার ঘটনা বেশি ঘটত। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিচিতজন বা স্বজনরা এসব অপরাধে জড়িত থাকত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পারিবারিক কলহের জেরে বাবা-মায়ের হাতে সন্তান হত্যার ঘটনাও বাড়ছে বলে তারা জানান।

অভিভাবকদের আতঙ্ক কাটছে না:
রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতন ও হত্যার একের পর এক ঘটনায় তারা সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, সাত বছরের মেয়েকে নিয়ে তিনি সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত শিশুদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধের খবর দেখে আতঙ্ক আরও বাড়ছে। তার ভাষায়, মানুষ কতটা নিষ্ঠুর হলে শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে, তা কল্পনারও বাইরে।

আরেক অভিভাবক জানান, বর্তমানে মেয়ে সন্তান নিয়ে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। সন্তানকে একা কোথাও পাঠাতে সাহস পান না। পরিবেশ-পরিস্থিতির অবনতির কারণে সবসময় নজরে রাখতে হচ্ছে, কারণ এখন কাউকেই সহজে বিশ্বাস করা যায় না।
তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুর বাবা বলেন, সমাজে মানবিকতা কমে যাচ্ছে। মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনা দেখতে দেখতে অভিভাবকরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

নির্ভরতার হাতই হয়ে উঠছে ঘাতক:
যে মা-বাবার কোল সন্তানের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হওয়ার কথা, অনেক ক্ষেত্রে সেই আপনজনই হয়ে উঠছেন ঘাতক। প্রতিশোধ, সন্দেহ কিংবা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে সন্তান হত্যার ঘটনাও বাড়ছে।

গত ৯ মে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিজের তিন শিশুসন্তানসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেন ফোরকান আলী। নিহতদের মধ্যে ছিল দুই বছরের ফারিয়া, আট বছরের মারিয়া ও ১৬ বছরের মিম। একই ঘটনায় নিহত হন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম ও শ্যালক রসুল। সন্দেহ ও মাদকাসক্তির জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

বগুড়ায় জন্মের একদিনের মাথায় নবজাতককে হত্যার অভিযোগ ওঠে মা ও সৎবাবার বিরুদ্ধে। গত ৯ মে এ ঘটনায় মা নিপা আক্তার ও সৎবাবা দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মাদকাসক্তির বলি শিশুরা:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদকাসক্তি শুধু একজন ব্যক্তিকেই ধ্বংস করে না, এটি পুরো পরিবার ও সমাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে শিশুদের ওপর।
গত ১৮ মার্চ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে চার বছরের শিশু মরিয়ম আক্তারকে হত্যা করা হয়। মাদকের টাকার জন্য তার গলায় থাকা রুপার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় অভিযুক্তরা শিশুটিকে চিনে ফেলায় শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ মাটির চুলার ভেতরে লুকিয়ে রাখে।

সম্প্রতি সাভারে মাদকের টাকা জোগাড় করতে ১২ বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। একইভাবে ফরিদপুরে সাত বছরের শিশু আইরিন আক্তার কবিতাকে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখার অভিযোগ ওঠে এক মাদকাসক্ত যুবকের বিরুদ্ধে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে কক্সবাজারের রামুতে মাদকের টাকার জন্য তিন বছরের শিশু ফাতেমাকে কুপিয়ে হত্যা করে তার চাচা।

বড়দের দ্বন্দ্বে প্রাণ যাচ্ছে শিশুদের:
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বলিও হচ্ছে শিশুরা। অনেক ক্ষেত্রে বড়দের প্রতিশোধের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে নিরীহ শিশু।
গত ৯ মে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অনলাইন জুয়ার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে নয় বছরের শিশু আন্দালিব সাদমান রাফিকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী নূর মুহাম্মদ খোকনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

একই দিনে চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত হন এক যুবক। এ ঘটনায় ১১ বছরের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।

শিশু বুঝতে পারে না কোন আচরণ বিপজ্জনক:
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশুদের অভিজ্ঞতা ও বিচারবোধ কম থাকায় তারা সহজে বুঝতে পারে না কোন আচরণ নিরাপদ আর কোনটি বিপজ্জনক। অপরিচিত মানুষের প্রলোভন কিংবা খারাপ স্পর্শ সম্পর্কে তারা সচেতন থাকে না। তাই শিশুদের সচেতন করা, নিরাপত্তা শেখানো এবং সবসময় তত্ত্বাবধানে রাখা পরিবারের দায়িত্ব।

সাইকোথেরাপিস্ট নুসরাত সাবরিন চৌধুরীর মতে, শিশুদের প্রতি যৌন সহিংসতা শুধু সামাজিক অপরাধ নয়, এটি গভীর মানসিক ও মানবিক সংকট। এ ধরনের ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তাবোধ, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তিনি বলেন, সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামোর পরিবর্তন, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপন, অভিভাবকদের দীর্ঘ সময় অনুপস্থিতি, বিভক্ত পরিবার, নিরাপদ পরিবেশের অভাব এবং পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধান না থাকায় শিশুরা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি শুধু ঘটনার মুহূর্ত নয়; বরং পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া ভয়, উদ্বেগ ও মানুষের প্রতি আস্থাহীনতা। অনেক শিশু নীরবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তাদের শিক্ষা, সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যে পড়ে।

প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি:
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক মূল্যবোধ চর্চা এবং শিশুদের নিরাপত্তায় রাষ্ট্র ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও সমাজ-অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, বড়দের দ্বন্দ্বে শিশুরা প্রতিশোধের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে। মাদকাসক্ত পরিবারের সদস্য থাকলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। দ্রুত বিচার ও কার্যকর শাস্তির অভাবে শিশু হত্যার ঘটনা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, পারিবারিক সহিংসতা কমাতে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, আইনের কার্যকর প্রয়োগও জরুরি। নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সহনশীলতার অভাব পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পুলিশের বক্তব্য:
পুলিশের দাবি, শিশুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ.এইচ.এম. শাহাদাত হোসেন বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে বিট পুলিশিং, উঠান বৈঠক ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া সমাজে সহিংসতা কমানো সম্ভব নয়। ছোটখাটো বিরোধ যেন হত্যাকাণ্ডে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com